advertisement

Holi 2026 Trip: কাঞ্চনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ, আদুরে রেড পান্ডার হঠাৎ দেখা! দোলে ঘুরে আসুন কালিম্পংয়ের অচেনা হ্যামলেট থেকে, রইল হদিশ

Last Updated:
Holi 2026 Trip: হোলির ছুটিতে অফবিট ট্রিপ? ঘুরে আসুন কালিম্পং। উৎসব মানেই কাজের চাপের ফাঁকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস। আসন্ন হোলির ছুটিতে পকেটের উপর বেশি চাপ না দিয়েই কালিম্পং হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।
1/6
*হোলির ছুটিতে অফবিট ট্রিপ? ঘুরে আসুন কালিম্পং। উৎসব মানেই কাজের চাপের ফাঁকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস। আসন্ন হোলির ছুটিতে পকেটের উপর বেশি চাপ না দিয়েই পাহাড়ে ঘুরে আসতে চাইলে কালিম্পং হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও অ্যাডভেঞ্চারের মেলবন্ধনে এই পাহাড়ি শহরের অফবিট স্পটগুলি এখন পর্যটকদের নতুন পছন্দ।
*হোলির ছুটিতে অফবিট ট্রিপ? ঘুরে আসুন কালিম্পং। উৎসব মানেই কাজের চাপের ফাঁকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস। আসন্ন হোলির ছুটিতে পকেটের উপর বেশি চাপ না দিয়েই পাহাড়ে ঘুরে আসতে চাইলে কালিম্পং হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও অ্যাডভেঞ্চারের মেলবন্ধনে এই পাহাড়ি শহরের অফবিট স্পটগুলি এখন পর্যটকদের নতুন পছন্দ।
advertisement
2/6
*ডেলো পার্ক: ৩৬০ ডিগ্রিতে পাহাড়, তিস্তা আর হিমালয় এক জায়গায় দাঁড়িয়ে চারদিক জুড়ে পাহাড়, উপত্যকা, নদী আর দূরের তুষারশৃঙ্গ—এমন দৃশ্য দেখতে চাইলে অবশ্যই যেতে হবে ডেলো পার্ক। কালিম্পংয়ের অন্যতম উচ্চতম স্থানে অবস্থিত এই পার্ক থেকে পরিষ্কার দিনে চোখে পড়ে আঁকাবাঁকা তিস্তা নদী ও দূরের হিমালয়। সূর্যাস্তের সময় এখানকার দৃশ্য মন কেড়ে নেয় পর্যটকদের।
*ডেলো পার্ক: ৩৬০ ডিগ্রিতে পাহাড়, তিস্তা আর হিমালয় এক জায়গায় দাঁড়িয়ে চারদিক জুড়ে পাহাড়, উপত্যকা, নদী আর দূরের তুষারশৃঙ্গ—এমন দৃশ্য দেখতে চাইলে অবশ্যই যেতে হবে ডেলো পার্ক। কালিম্পংয়ের অন্যতম উচ্চতম স্থানে অবস্থিত এই পার্ক থেকে পরিষ্কার দিনে চোখে পড়ে আঁকাবাঁকা তিস্তা নদী ও দূরের হিমালয়। সূর্যাস্তের সময় এখানকার দৃশ্য মন কেড়ে নেয় পর্যটকদের।
advertisement
3/6
*লেপচা জাদুঘর: আদিবাসী সংস্কৃতির জানালা। কালিম্পং ভ্রমণে সংস্কৃতির ছোঁয়া পেতে চাইলে ঘুরে আসুন লেপচা মিউজিয়াম। পদ্মশ্রী সোনম শেরিং লেপচা প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে লেপচা সম্প্রদায়ের ইতিহাস, পাণ্ডুলিপি, বাদ্যযন্ত্র ও ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প। গ্রামীণ স্থাপত্যে তৈরি ভবনটি আদিবাসী জীবনের খাঁটি ছবি তুলে ধরে।
*লেপচা জাদুঘর: আদিবাসী সংস্কৃতির জানালা। কালিম্পং ভ্রমণে সংস্কৃতির ছোঁয়া পেতে চাইলে ঘুরে আসুন লেপচা মিউজিয়াম। পদ্মশ্রী সোনম শেরিং লেপচা প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে লেপচা সম্প্রদায়ের ইতিহাস, পাণ্ডুলিপি, বাদ্যযন্ত্র ও ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প। গ্রামীণ স্থাপত্যে তৈরি ভবনটি আদিবাসী জীবনের খাঁটি ছবি তুলে ধরে।
advertisement
4/6
*নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যান: রেড পান্ডা দেখার রোমাঞ্চ। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্র নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যান।১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উদ্যানে রয়েছে ঘন অরণ্য, জলপ্রপাত, ট্রেকিং রুট এবং সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণ। রেড পান্ডা, কালো ভাল্লুক, চিতাবাঘ থেকে শুরু করে বিরল পাখির দেখা মেলে এখানে—ফলে বাড়ছে পর্যটকদের কৌতূহল।
*নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যান: রেড পান্ডা দেখার রোমাঞ্চ। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্র নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যান।১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উদ্যানে রয়েছে ঘন অরণ্য, জলপ্রপাত, ট্রেকিং রুট এবং সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণ। রেড পান্ডা, কালো ভাল্লুক, চিতাবাঘ থেকে শুরু করে বিরল পাখির দেখা মেলে এখানে—ফলে বাড়ছে পর্যটকদের কৌতূহল।
advertisement
5/6
*ডাম্বের চক: কেনাকাটা আর স্ট্রিট ফুডের ঠিকানা। কালিম্পং শহরের প্রাণকেন্দ্র ডাম্বের চক (পূর্ব নাম মহারাণী চক)। কেনাকাটা, রাস্তার খাবার আর রেস্তোরাঁয় জমজমাট এই এলাকা পর্যটকদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়। স্থানীয় হস্তশিল্প, উলেন কাপড় ও স্মারক কেনার জন্য এখানেই ভিড় জমে।
*ডাম্বের চক: কেনাকাটা আর স্ট্রিট ফুডের ঠিকানা। কালিম্পং শহরের প্রাণকেন্দ্র ডাম্বের চক (পূর্ব নাম মহারাণী চক)। কেনাকাটা, রাস্তার খাবার আর রেস্তোরাঁয় জমজমাট এই এলাকা পর্যটকদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়। স্থানীয় হস্তশিল্প, উলেন কাপড় ও স্মারক কেনার জন্য এখানেই ভিড় জমে।
advertisement
6/6
*দুরপিন দারা পাহাড়: মেঘের কোলে শান্তির ঠিকানা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৫০১ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত দুরপিন দারা পাহাড় কালিম্পংয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এখান থেকে পুরো শহরের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত জাং ধোক পালরি মঠ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ—নিরিবিলি পরিবেশে মানসিক শান্তি খোঁজার আদর্শ জায়গা।
*দুরপিন দারা পাহাড়: মেঘের কোলে শান্তির ঠিকানা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৫০১ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত দুরপিন দারা পাহাড় কালিম্পংয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এখান থেকে পুরো শহরের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত জাং ধোক পালরি মঠ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ—নিরিবিলি পরিবেশে মানসিক শান্তি খোঁজার আদর্শ জায়গা।
advertisement
advertisement
advertisement