Home /News /purba-bardhaman /
Music Composer : ৬ দশক ধরে কোনও সম্মান না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই কাঁপা হাতে গান লিখে চলেছেন অশীতিপর এই গীতিকার, সুরকার ও গায়ক

Music Composer : ৬ দশক ধরে কোনও সম্মান না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই কাঁপা হাতে গান লিখে চলেছেন অশীতিপর এই গীতিকার, সুরকার ও গায়ক

শান্তিময়বাবু

শান্তিময়বাবু নানা ধরনের প্রায় সাত হাজার গান লিখে ও সুর প্রদান করেছেন

Music Composer : শান্তিময়বাবু নানা ধরনের প্রায় সাত হাজার গান লিখে ও সুর প্রদান করেছেন । সঙ্গীতশিল্পীদের সুবিধার্থে শিল্পীর লেখা বইয়ে সরলিপিও উল্লেখিত ।

  • Share this:

    পূর্ব বর্ধমান : টানা চার বছর আকাশবাণীতে গান গেয়েও শিল্পীর সম্মান পেলেন না বলে আক্ষেপ পূর্ব বর্ধমান শহরের বোড়হাটের বাসিন্দা শান্তিময় ঘোষের । অভিযোগ, আকাশবাণীর কর্মীদের দুর্ব্যবহারের ফলে কলকাতা আকাশবাণী রেডিওর গান ছেড়ে চলে আসেন তিনি । সঙ্গীতশিল্পী শান্তিময় ঘোষ শুধু গায়কই নন ৷ তিনি একজন গীতিকার ও সুরকার । তাঁর লেখা এবং সুরে গান গেয়েছেন হৈমন্তী শুক্লা,  রাঘব চট্টোপাধ্যায়,  অনুপ ঘোষালের মতো শিল্পীারা । শান্তিময়বাবু নানা ধরনের প্রায় সাত হাজার গান লিখে ও সুর প্রদান করেছেন । সঙ্গীতশিল্পীদের সুবিধার্থে শিল্পীর লেখা বইয়ে সরলিপিও উল্লেখিত ।

    কোনওদিন প্রচারের আলোতে আসতে চাননি তিনি ৷ তবে বাড়ির লোকেরা চান শান্তিময় বাবু সম্মানিত হোন । বাড়িতেই আছে মা কালীর মূর্তি ৷ বিগ্রহের সামনে বসে মা কালীকে নিয়ে অসংখ্য ভক্তিগীতি লিখেছেন তিনি । বর্তমানে বয়স প্রায় আশি ৷  হাত কাঁপলে,ও কানে শুনতে না পেলেও হাতের লেখা রয়েছে সেই আগের মতোই।

    আরও পড়ুন : পুলিশের মানবিক মুখ, দরিদ্র পরিবারের পড়ুয়াদের জন্য অবৈতনিক কোচিং সেন্টার

    ২০ বছর বয়স থেকে তিনি গান লেখা ও সুর প্রদান করেন । ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত আকাশবাণীতে গান গাইতেন । পাশাপাশি গান লেখা ও সুর প্রদান করতেন । অভিযোগ, সব মিলিয়ে শান্তিময়বাবুর গানের ভাণ্ডার ভর্তি, তবে সম্মানের জায়গা কার্যত শূন্য ৷

    আরও পড়ুন : প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত সন্দেহভাজনের ব্যাগ তল্লাশি করে চক্ষু চড়কগাছ রেলপুলিশের

    শান্তিময় বাবুর স্ত্রী শঙ্করী ঘোষ বলেন,  ‘‘ উনি বড় গুণী লোক । আমি বিয়ের আগে থেকেই জানতাম । তবে এত গান লিখে ও সুর দিয়েও কোনও সম্মান পেলেন না । ওঁর সম্মান পাওয়া দরকার ছিল । তবে ওঁর তা না পাওয়ার কারণ একটাই-কোনওদিন প্রচারের আলোয় ছিলেন না উনি।’’

    ( প্রতিবেদন :  Malobika Biswas)
    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published:

    Tags: East Burdwan

    পরবর্তী খবর