advertisement

Constipation Home Remedies: লাগবে না দামি ওষুধ! এই ছোট্ট ৫ কাজেই কমবে কোষ্ঠকাঠিন্যের কষ্ট! পেটের নোংরা বার হবে গলগলিয়ে

Last Updated:
Constipation Home Remedies:আজকের দ্রুতগতির জীবনে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে উঠছে, কিন্তু এটিকে হালকাভাবে নেওয়া একটি বড় ভুল হতে পারে। পরিষ্কার মলত্যাগ না করা কেবল অস্বস্তির কারণই নয় বরং গ্যাস, অ্যাসিডিটি, মুখের আলসার এবং ত্বকের সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য আসলে শরীরের একটি সংকেত যে পাচনতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করছে না।
1/7
আমাদের খারাপ অভ্যাসগুলি কোষ্ঠকাঠিন্যের সবচেয়ে বড় কারণ। খুব কম জল পান করা, ফাইবারের অভাব, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা এবং খাওয়া, সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, জোর করে মলত্যাগ বন্ধ রাখা এবং দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ফোন নিয়ে টয়লেটে বসে থাকা - এই সমস্ত কারণগুলি প্রাকৃতিক অন্ত্রের কার্যকারিতা ব্যাহত করে।
আমাদের খারাপ অভ্যাসগুলি কোষ্ঠকাঠিন্যের সবচেয়ে বড় কারণ। খুব কম জল পান করা, ফাইবারের অভাব, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা এবং খাওয়া, সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, জোর করে মলত্যাগ বন্ধ রাখা এবং দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ফোন নিয়ে টয়লেটে বসে থাকা - এই সমস্ত কারণগুলি প্রাকৃতিক অন্ত্রের কার্যকারিতা ব্যাহত করে।
advertisement
2/7
তাছাড়া, মানসিক চাপও হজম ব্যবস্থাকে ধীর করে দেয়। যখন মলত্যাগ কমে যায়, তখন মল শক্ত হয়ে যায় এবং বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে পরিণত হয়। বলছেন বিশেষজ্ঞ সোনিয়া রাওয়াত।
তাছাড়া, মানসিক চাপও হজম ব্যবস্থাকে ধীর করে দেয়। যখন মলত্যাগ কমে যায়, তখন মল শক্ত হয়ে যায় এবং বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে পরিণত হয়। বলছেন বিশেষজ্ঞ সোনিয়া রাওয়াত।
advertisement
3/7
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কমপক্ষে দুই গ্লাস হালকা গরম জল পান করা অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়। এটি আমাদের পাচনতন্ত্রকে মৃদুভাবে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের গতিবিধি বৃদ্ধি করে। হালকা গরম জল কোলন রিফ্লেক্সকে সক্রিয় করে, যার ফলে মলত্যাগ সহজ হয়। অনেকেই জল পান করেন, কিন্তু সঠিক পরিমাণে বা নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখেন না। প্রতিদিন একই সময়ে জল পান করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি সেট হয় এবং অন্ত্র পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কমপক্ষে দুই গ্লাস হালকা গরম জল পান করা অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়। এটি আমাদের পাচনতন্ত্রকে মৃদুভাবে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের গতিবিধি বৃদ্ধি করে। হালকা গরম জল কোলন রিফ্লেক্সকে সক্রিয় করে, যার ফলে মলত্যাগ সহজ হয়। অনেকেই জল পান করেন, কিন্তু সঠিক পরিমাণে বা নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখেন না। প্রতিদিন একই সময়ে জল পান করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি সেট হয় এবং অন্ত্র পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।
advertisement
4/7
সাইলিয়াম ভুষিতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা মল জমাট বাঁধতে এবং নরম করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর আগে এক থেকে দুই চা চামচ সাইলিয়াম ভুষি হালকা গরম জল বা দুধের সাথে গ্রহণ করলে সকালে অন্ত্র পরিষ্কার হয়। এটি অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়। তবে, এটি নিয়মিত মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত এবং অতিরিক্ত পরিমাণে এড়ানো উচিত। এটি কোলন স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী বলে মনে করা হয়।
সাইলিয়াম ভুষিতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা মল জমাট বাঁধতে এবং নরম করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর আগে এক থেকে দুই চা চামচ সাইলিয়াম ভুষি হালকা গরম জল বা দুধের সাথে গ্রহণ করলে সকালে অন্ত্র পরিষ্কার হয়। এটি অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়। তবে, এটি নিয়মিত মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত এবং অতিরিক্ত পরিমাণে এড়ানো উচিত। এটি কোলন স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী বলে মনে করা হয়।
advertisement
5/7
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফাইবার অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। সবুজ শাকসবজি, সালাদ, পেঁপে, আপেল, নাশপাতি, মসুর ডাল এবং আস্ত শস্য অন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ফাইবার মলে জল ধরে রাখতে সাহায্য করে, মলের শক্ত হওয়া রোধ করে এবং এটি সহজে বের হতে দেয়। আপনার খাদ্যতালিকায় জাঙ্ক ফুড বেশি এবং প্রাকৃতিক খাবার কম থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য পুনরায় হতে পারে। অতএব, একটি সুষম, ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফাইবার অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। সবুজ শাকসবজি, সালাদ, পেঁপে, আপেল, নাশপাতি, মসুর ডাল এবং আস্ত শস্য অন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ফাইবার মলে জল ধরে রাখতে সাহায্য করে, মলের শক্ত হওয়া রোধ করে এবং এটি সহজে বের হতে দেয়। আপনার খাদ্যতালিকায় জাঙ্ক ফুড বেশি এবং প্রাকৃতিক খাবার কম থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য পুনরায় হতে পারে। অতএব, একটি সুষম, ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
6/7
শারীরিক পরিশ্রমের অভাবও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, যোগব্যায়াম অথবা হালকা ব্যায়াম করলে পাচনতন্ত্র সক্রিয় থাকে। বিশেষ করে সকালে হাঁটা মলত্যাগের উন্নতি করে। যারা সারাদিন বসে কাজ করেন তাদের মাঝে মাঝে ঘুম থেকে উঠে হাঁটা উচিত। এটি পাচনতন্ত্রকে অলস হতে বাধা দেয়।
শারীরিক পরিশ্রমের অভাবও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, যোগব্যায়াম অথবা হালকা ব্যায়াম করলে পাচনতন্ত্র সক্রিয় থাকে। বিশেষ করে সকালে হাঁটা মলত্যাগের উন্নতি করে। যারা সারাদিন বসে কাজ করেন তাদের মাঝে মাঝে ঘুম থেকে উঠে হাঁটা উচিত। এটি পাচনতন্ত্রকে অলস হতে বাধা দেয়।
advertisement
7/7
মানসিক চাপ সরাসরি পাচনতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিন্তা বা চাপ মলত্যাগের গতি কমিয়ে দেয়। সময়মতো ঘুমাতে যাওয়া, তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা এবং নিয়মিত মলত্যাগের সময়সূচী বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। টয়লেটে থাকাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন এবং দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন। একটি সুষম রুটিন দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থ অন্ত্র বজায় রাখে।
মানসিক চাপ সরাসরি পাচনতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিন্তা বা চাপ মলত্যাগের গতি কমিয়ে দেয়। সময়মতো ঘুমাতে যাওয়া, তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা এবং নিয়মিত মলত্যাগের সময়সূচী বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। টয়লেটে থাকাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন এবং দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন। একটি সুষম রুটিন দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থ অন্ত্র বজায় রাখে।
advertisement
advertisement
advertisement