Nadia News: মহাজন লাভবান হলেও শান্তিপুরের তাঁতিরা সেই তিমিরেই
- Reported by:MAINAK DEBNATH
- Published by:kaustav bhowmick
Last Updated:
সামনেই দুর্গাপুজো, কিন্তু সেভাবে কাজ নেই শান্তিপুরের তাঁতিদের
নদিয়া: মহাজন লাভবান হলেও, হস্তচালিত তাঁত শিল্পীরা সেই তিমিরেই পড়ে আছেন। পুজোর আগে তাঁরা কেমন আছেন খোঁজ নিলাম আমরা। নদিয়া জেলার শান্তিপুর তাঁত শিল্পের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু সেখানকার হস্তচালিত তাঁত শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে। ফুলিয়া ছাড়াও শান্তিপুরের অন্যান্য এলাকায় একটা সময় ঘরে ঘরে হস্তচালিত তাঁত চলত। তৈরি হত তাঁতের রকমারি শাড়ি। কিন্তু যন্ত্র চালিত তাঁত এসে যাওয়ায় এখন এলাকার বেশিরভাগ হস্তচালিত তাঁত বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
শান্তিপুর, ফুলিয়ার তৈরি কাপড় পাড়ি দিত দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে। অথচ আজ নিজেদের হাটেই ব্রাত্য হস্তচালিত তাঁত শাড়ি। চারিদিকে ছেয়ে গেছে পাওয়ারলুমে তৈরি উন্নত রিপিয়ার মেশিনে বোনা শাড়ি। তাঁত শিল্পীদের দাবি, যন্ত্র চালিত মেশিন আসার পরেই হস্ত চালিত তাঁত শিল্পের কদর কমেছে। একটা সময় এলাকায় ঘুম ভাঙত তাঁতের খট খটানি আওয়াজে। পুজোর আগে নাওয়া-খাওয়া ভুলে মহাজনদের চাহিদা মেটাতে হত শাড়ির। কিন্তু ১২ মাসে ১৩ পার্বণ হলেও এখন আর তাঁতিরা বুঝতেই পারেন না যে পুজো এসে গেছে। হাতে গোনা আর কটা দিন বাকি পুজোর। কিন্তু নেই সেভাবে কাপড়ের চাহিদা। তাই কাপড় উৎপাদনের দিকে তাঁতিদের নেই মহাজনদের চাপ। যদিও পাইকারি বিক্রি করা মহাজনদের দাবি, বেচাকেনা রয়েছে তবে সেভাবে খুব একটা চাহিদা নেই।
advertisement
advertisement
প্রতিবছরই বিভিন্ন রকমের কিছু না কিছু ডিজাইনের নতুনত্ব কাপড় তৈরি নিয়ে একসময় থাকত উন্মাদনা। কিন্তু ইদানিং আর সেসব দেখা যায় না। হস্তচালিত তাঁত শিল্পীদের দাবি, সেভাবে মহাজনদের কাপড়ের চাহিদা না থাকায় বাড়েনি তাঁদের পারিশ্রমিক। হস্তচালিত তাঁত শিল্পের কীভাবে সুদিন ফিরিয়ে আনা যায় এ বিষয়ে তাঁত শিল্পীদের প্রশ্ন করলে তাঁরা বলেন, যন্ত্র চালিত মেশিনে কাপড়ের তৈরি করা বন্ধ না হলে আমাদের এই হস্তচালিত তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখা যাবে না। বর্তমানে এই শিল্প ধ্বংসের মুখে। মহাজনরা যদিও বা দুটো পয়সার মুখ দেখে, কিন্তু তাঁরা থাকেন অন্ধকারেই।
advertisement
মৈনাক দেবনাথ
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Sep 19, 2023 10:07 PM IST









