advertisement

Bankura News: বাঁকুড়ায় হলটা কী! ২৮ থেকে একেবারে শুন্য! বিরাট সাফল্য বনদফতরের

Last Updated:
Bankura News: হাতির সংখ্যা বেড়েছে প্রচুর, তবু প্রাণহানি শূন্য—বাঁকুড়ায় সাফল্য।
1/6
বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়ার বাঁকুড়া উত্তর বনবিভাগের হাতির উপস্থিতির কিছুটা বেড়েছে। তবে কমেছে হাতির মারফত মৃত্যু সংখ্যা। ২০২৫ ২৬ অর্থবর্ষে রেকর্ড মৃত্যু সংখ্যা শূন্য! ২০০৭ সাল থেকে উপলব্ধ রেকর্ডে এই প্রথম এমন সাফল্য বাঁকুড়ায়। এই সাফল্যকে প্রশাসন ও বন দফতর এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে। বাঁকুড়া উত্তর বন বিভাগের বন আধিকারিক, শেখ ফরিদ জানান,
বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়ার বাঁকুড়া উত্তর বনবিভাগের হাতির উপস্থিতির কিছুটা বেড়েছে। তবে কমেছে হাতির মারফত মৃত্যু সংখ্যা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে রেকর্ড মৃত্যু সংখ্যা শূন্য! ২০০৭ সাল থেকে উপলব্ধ রেকর্ডে এই প্রথম এমন সাফল্য বাঁকুড়ায়। এই সাফল্যকে প্রশাসন ও বন দফতর এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে। বাঁকুড়া উত্তর বন বিভাগের বন আধিকারিক, শেখ ফরিদ জানান, 'এই রেকর্ড এমনি এমনি হয়নি! বনকর্মী এবং বনদফতরের অক্লান্ত পরিশ্রমে এটি সম্ভব হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার উপর ডিউটি করেছে অনেকে। বাঁকুড়া একটি বড় উদাহরণ হিসেবে উঠে আসছে।'  ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
2/6
বন দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৫-১৬ সালের সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল হাতির আক্রমণে। সময়টা ছিল খুবই সংকটজনক এবং বেদনাদায়ক। আঙুল উঠেছিল বন দফতরের দিকে। তখন থেকেই ব্ল্যাকবোর্ডে শুরু হয় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাহিনী। উদ্যোগ সচেতনতা এবং ব্যবস্থাপনার ফলে ধীরে ধীরে সেই মৃত্যু সংখ্যা কমে কমে শূন্যতে দাঁড়িয়েছে।
বন দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৫-১৬ সালের সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল হাতির আক্রমণে। সময়টা ছিল খুবই সঙ্কটজনক এবং বেদনাদায়ক। আঙুল উঠেছিল বন দফতরের দিকে। তখন থেকেই ব্ল্যাকবোর্ডে শুরু হয় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাহিনী। উদ্যোগ সচেতনতা এবং ব্যবস্থাপনার ফলে ধীরে ধীরে সেই মৃত্যু সংখ্যা কমে কমে শূন্যতে দাঁড়িয়েছে।
advertisement
3/6
পরিসংখ্যান বলছে ২০১৩ এবং ১৪ সালে মৃত্যু হয় নয় জনের, ২০১৪ এবং ১৫ সালের মৃত্যু হয় ১২ জনের, ২০১৬-১৭ সালে আট জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর থেকেই পরিস্থিতি একটু ভাল হতে শুরু করে। ২০১৯-২০ সালে মৃত্যু কমে দাঁড়ায় মাত্র পাঁচ। ২০২০- ২১ সালে ৩! ২০২৪-২৫ সালে ১! অর্থাৎ ধারাবাহিক সাফল্য।
পরিসংখ্যান বলছে ২০১৩ এবং ১৪ সালে মৃত্যু হয় নয় জনের, ২০১৪ এবং ১৫ সালের মৃত্যু হয় ১২ জনের, ২০১৬-১৭ সালে আট জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর থেকেই পরিস্থিতি একটু ভাল হতে শুরু করে। ২০১৯-২০ সালে মৃত্যু কমে দাঁড়ায় মাত্র পাঁচ। ২০২০- ২১ সালে ৩! ২০২৪-২৫ সালে ১! অর্থাৎ ধারাবাহিক সাফল্য।
advertisement
4/6
বন দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, একদম ফিল্ড লেভেলে হাতির গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়েছে। বনের মধ্যে তাদেরকে নিয়ন্ত্রিত করে রাখা হয়েছে, বাড়ান হয়েছে সীমাবদ্ধতা। স্থানীয় মানুষকে করা হয়েছে সচেতন। এই তিনটি দিককে বিশেষ জোর দিয়েছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসন, পুলিশ সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও এই সাফল্যের কান্ডারী হিসেবে কাজ করেছে বলেই জানিয়েছেন জেলা বন আধিকারিক।
বন দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, একদম ফিল্ড লেভেলে হাতির গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়েছে। বনের মধ্যে তাদেরকে নিয়ন্ত্রিত করে রাখা হয়েছে, বাড়ান হয়েছে সীমাবদ্ধতা। স্থানীয় মানুষকে করা হয়েছে সচেতন। এই তিনটি দিককে বিশেষ জোর দিয়েছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসন, পুলিশ সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও এই সাফল্যের কান্ডারি হিসেবে কাজ করেছে বলেই জানিয়েছেন জেলা বন আধিকারিক।
advertisement
5/6
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেটি উঠে আসছে সেটি হল, ২০২৫-২৬ সালে হাতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩১৫, যা আগের বছরের ৭৭৯০ থেকে অনেক বেশি। অর্থাৎ, হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মানব মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে নামান সম্ভব হয়েছে, যা প্রশাসনিক দক্ষতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টারই ফল বলে মনে করা হচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেটি উঠে আসছে সেটি হল, ২০২৫-২৬ সালে হাতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩১৫, যা আগের বছরের ৭৭৯০ থেকে অনেক বেশি। অর্থাৎ, হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মানব মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে নামানো সম্ভব হয়েছে, যা প্রশাসনিক দক্ষতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টারই ফল বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
6/6
প্রশাসনের তরফ থেকে আগামী দিনেও একই ভাবে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান হয়েছে। বন দফতরের মতে এই সফলতা যদি ধরে রাখতে হয় তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরী। হাতিও মানুষের সহ অবস্থান নিশ্চিত করে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা তৈরি করতে হয় বলে বন দফতরের লক্ষ্য
প্রশাসনের তরফ থেকে আগামী দিনেও একই ভাবে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান হয়েছে। বন দফতরের মতে এই সফলতা যদি ধরে রাখতে হয় তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরী। হাতিও মানুষের সহ অবস্থান নিশ্চিত করে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা তৈরি করতে হয় বলে বন দফতরের লক্ষ্য
advertisement
advertisement
advertisement