Home /News /life-style /
Pranayama Benefits: কোভিডের অনেক পরেও শ্বাস প্রশ্বাসে অসুবিধা? একমাত্র রোজ প্রাণায়াম করলেই মিলবে সুফল

Pranayama Benefits: কোভিডের অনেক পরেও শ্বাস প্রশ্বাসে অসুবিধা? একমাত্র রোজ প্রাণায়াম করলেই মিলবে সুফল

Yoga for Respiration: শরীরের ভিতরে বায়ুর প্রবেশ ও নিষ্ক্রমণের প্রক্রিয়ার দ্বারা, বায়ুর বিস্তার ঘটে, তার সংযম করার প্রক্রিয়াই হল প্রাণায়াম।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সঠিক নিয়মে শ্বাস গ্রহণ, ধারণ এবং ত্যাগকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমই প্রাণায়াম। মূলত শ্বাস-প্রশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করাই এর উদ্দেশ্য (Pranayama Benefits)। যোগশাস্ত্রে নাকের সাহায্যে ফুসফুসে বাতাস নিয়ে তা ধরে রেখে এবং ফুসফুস থেকে বাতাস বের করে দেওয়ার বিশেষ প্রক্রিয়ার দ্বারা প্রাণায়াম করা হয়। শরীরের ভিতরে বায়ুর প্রবেশ ও নিষ্ক্রমণের প্রক্রিয়ার দ্বারা, বায়ুর বিস্তার ঘটে, তার সংযম করার প্রক্রিয়াই হল প্রাণায়াম (Pranayama Benefits)।

কোভিড (Post Covid Symptoms) থেকে সেরে ওঠার পরও অনেকেরই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন করোনা হল একটি রেসপিরেটরি ভাইরাস। এটা শ্বসনতন্ত্রের উপর জোরদার আঘাত হানছে। এই অবস্থায় কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর প্রাণায়াম করলেই মিলতে পারে সুফল। লং কোভিডের হাত থেকে রেহাই পেতে প্রাণায়াম হতে পারে অন্যতম হাতিয়ার। তাছাড়া নিয়মতি প্রাণায়াম (Pranayama Benefits) অভ্যাসে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, এই প্রক্রিয়া ব্যক্তিকে শান্ত রাখে এবং শরীর ডিটক্সিফাই করে। এখানে আলোচনা করা হল নিয়মিত প্রাণায়াম অভ্যাসের ৭ সুফল (Pranayama Benefits)।

আরও পড়ুন- যক্ষ্মা প্রাণঘাতী, তবে এই তিনটি যোগাসনে মারণরোগকে ঠেকাতে পারেন সহজেই!

১। স্ট্রেস বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে শারীরিক অসুখ-বিসুখ ও ব্যথাবোধ। প্রাণায়াম রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। তাতে যে কেবল মন ভালো হয় তা নয় কিন্তু, ধীরে ধীরে নার্ভাস সিস্টেমের স্বাস্থ্যও ভালো হতে আরম্ভ করে। ফলে অনেক শারীরিক অসুবিধে থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

২। দেহের প্রাণশক্তি বৃদ্ধি করে এবং জরা, ব্যাধি ও অকালমৃত্যুর হাত থেকে দেহকে রক্ষা করার উদ্দেশ্য প্রাণায়াম করা হয়। তবে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী এবং সাইকোথেরাপিতে প্রাণায়ামের চল আছে। বিশেষ করে পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারের ক্ষেত্রে রোগীকে প্রাণায়ামের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

৩। আমাদের মন একটা কম্পিউটারের মতো। সেখানে ভালো-মন্দের বিশাল অভিজ্ঞতা স্টোর করা আছে। অভ্যাসগত কারণে এবং দৈনন্দিন জীবনে ভালো থাকার তাগিদে আমরা সেই বিশাল স্টোরেজের খুব অল্পই ব্যবহার করি। কিন্তু সেখানে যদি ট্র্যাশের পরিমাণ বেশি হয়ে যায় তাহলে কম্পিউটার স্লো হয়ে যায়। আমাদের সত্ত্বা এবং ক্ষমতাও সেরকম। একমাত্র নিঃশ্বাস প্রশ্বাস প্রক্রিয়াই সেখানকার ময়লা সাফ করতে পারে।

৪। শরীর এবং মন একে অন্যের পরিপূরক। একটা খারাপ থাকলে অন্যটা ভালো থাকতে পারে না।আমাদের শ্বাস নেওয়ার তালে তালে ওঠা-পড়া করে আমাদের ডায়াফ্রাম। সেই সঙ্গে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উত্থান-পতন হয়। পাকস্থলীর খাবার বা পানীয়ও শ্বাসের তালে তালে ওঠে-নামে। প্রাণায়াম করার সময় যেভাবে বসা হয়, তাতে খাদ্য ও পানীয়ের গতিপথে কোনও বাধা সৃষ্টি হয় না। ডায়াফ্রামও পুরোপুরি কাজ করে। সঠিকভাবে প্রাণায়াম অভ্যেস করলে ক্রমশ ওজন কমতে আরম্ভ করবে।

আরও পড়ুন- কাশ্মীর ফাইলসকে ব্যঙ্গ, কেজরিওয়ালকে 'প্রফেশনাল অ্যাবিউজার' বলে আক্রমণ বিবেকের!

৫। প্রাণায়াম (Pranayama Benefits) অভ্যেসের সময় যখন প্রশ্বাস ছাড়া হচ্ছে, তখন ফুসফুসের একেবারে তলদেশ পর্যন্ত খালি হয়ে যায়। শ্বাসবায়ুর সঙ্গে অনেক অপরিশোধিত কণাও ঢুকে পড়ে ফুসফুসে। মাধ্যাকর্ষণের টানে তা জমা হয় এই অঙ্গের একেবারে নিম্নতম প্রান্তে। দীর্ঘকাল তা সেখানেই আটকে থাকলে ফুসফুসের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। কিন্তু প্রাণায়াম এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের একেবারে গভীরতম কোণ থেকে শেষতম কণাটিকেও বের করে আনতে পারে, ফলে ফুসফুস হয়ে ওঠে শক্তিশালী।

৬। প্রাণায়ামের সুবিধে হচ্ছে, তা বাচ্চা-বুড়ো সকলেই অভ্যেস করতে পারে এবং তা মনের জোর বাড়াতে দারুণ কার্যকর। এর নিয়মিত অভ্যেস বাড়ায় মনঃসংযোগ। ডিপ্রেশনে ভুগলে, প্রাণায়াম অভ্যেস করলে নিশ্চিতভাবেই উপকার পাওয়া যাবে।

৭। উদ্বেগকে কীভাবে বশে রাখতে হয়, তা প্রাণায়াম (Pranayama Benefits) শেখায়। এর নিয়মিত অভ্যাসে প্যানিক অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। মন শান্ত হয়। ‘আসল আমি’কে চিনতে শেখায়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকার ফলে ব্যক্তি উৎসাহ ও শক্তিতে ভরপুর থাকে।

Published by:Madhurima Dutta
First published:

Tags: Respiratory Problems, Yoga

পরবর্তী খবর