পাহাড়ের উঁচু ঢাল থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টায় ভল্লুক, একটুর জন্য প্রাণে বাঁচলেন বাইকার, ভিডিও দেখলে ভয় ধরবে!

পাহাড়ের উঁচু ঢাল থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টায় ভল্লুক, একটুর জন্য প্রাণে বাঁচলেন বাইকার, ভিডিও দেখলে ভয় ধরবে!

পাহাড়ের উঁচু ঢাল থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টায় ভল্লুক, একটুর জন্য প্রাণে বাঁচলেন বাইকার, ভিডিও দেখলে ভয় ধরবে!

সম্প্রতি মন্টানা নাইফ কম্পানি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেইজে যে গায়ে কাঁটা জাগানো ভিডিওটি শেয়ার করেছে, তা ঘটেছে দিনের আলোয়।

  • Share this:

#মন্টানা: সম্প্রতি প্রাশিত একটি সমীক্ষা বলছে যে ইউনাইটেড স্টেটস জুড়ে না কি হালে প্রায় ৬০ হাজারের কাছাকাছি কালো ভল্লুক রয়েছে। ফলে তাদের বাসস্থানের পাশ দিয়ে গেলে তারা চুপচাপ বসে থাকবে, এটা খুব একটা প্রত্যাশা করা যায় না। তাই প্রশাসন থেকে পাহাড়ি পথের বাইকারদের সতর্ক করা হয় বারে বারে। বলা হয় গোধূলিতে বা অন্ধকার হয়ে এলে বাইক না চালাতে পাহাড়ি পথে, আচমকা ভল্লুক ঝাঁপিয়ে পড়লে তাকে তো দেখাও যাবে না! তবে সম্প্রতি মন্টানা নাইফ কম্পানি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেইজে যে গায়ে কাঁটা জাগানো ভিডিওটি শেয়ার করেছে, তা ঘটেছে দিনের আলোয়।

এই ভিডিওয় প্রথমে চোখে পড়েছে মন্টানার পাহাড়ের শ্যামল শোভা। তার পরেই ঠিক যেন জঙ্গলের বুক চিরে পাহাড়ি পথের বাঁকে অসম্ভব রকমের দ্রুত গতিতে ছুটতে দেখা গিয়েছে এক কালো ভল্লুককে। সেটা অস্বাভাবিকও কিছু নয়, এরা প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ কিলোমিটার বেগে একটানা ছুটে যাওয়ার ক্ষমতা ধরে। তবে বাইকের মাইলেজ আরও বেশি, অন্য দিকে বাইকারও প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া! ফলে ভল্লুক ছুটে এসে একটা উঁচু ঢাল থেকে তাঁর উফরে লাফিয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও বাইকের গতি বাড়িয়ে ভল্লুকের নাগালের বাইরে কোনও মতে চলে যেতে সমক্ষম হয়েছেন ওই ব্যক্তি। মন্টানা নাইফ কম্পানি ভিডিও আপলোড করে লিখেছে- মনে থাকে যেন এটা ডিজনিল্যান্ড নয়!

তবে আকছার ভল্লুক আর মানুষের মুখোমুখি হওয়ার নানা ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়, এটাই প্রথম নয়। মার্চ মাসের মাঝামাঝি যেমন আদ্রিয়ান স্টোইকা নামের এক স্কি-প্রশিক্ষক রোমানিয়ার বরফমোড়া পাহাড়ের ঢালে ভল্লুকের খপ্পরে পড়েছিলেন। স্টোইকা জানিয়েছিলেন যে তিনি প্রথমে তাঁর ছাত্রদের জোরে জোরে চিৎকার করে, স্কি-র লাঠি নেড়ে ভল্লুকটিকে ভয় দেখানোর উপদেশ দিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, বাচ্চা বলে ভল্লুকটি এতে ভয় পেয়ে পালিয়ে যাবে। কিন্তু কার্যত তা হয়নি, বরং ভল্লুকটি দলের দিকে আরও ধেয়ে আসতে থাকে।

শেষমেশ মরিয়া হয়ে স্টোইকা হাত নেড়ে নিজের দিকে ভল্লুকটির দৃষ্টি আর্ষণের চেষ্টা করেন। এতে কাজ হয়। ভল্লুকটি তাঁর পিছনে ধাওয়া করতে থাকে। এবং একটুও না থেমে দ্রুতগতিতে স্কি করতে থাকেন স্টোইা। সঙ্গে পিছনে তেড়ে আসা ভল্লুকের গতিবিধি ভিডিও করতে থাকেন।

স্টোইকার উদ্দেশ্য ছিল দু'টো- দলের থেকে ভল্লুকটির আকর্ষণ সরিয়ে দেওয়া এবং তাকে দৌড় করিয়ে ক্লান্ত করে ফেলা! যাতে সে একসময়ে নিজেই বিরক্ত হয়ে স্থানত্যাগ করে। স্টোইকার উদ্দেশ্য সফল হয়েছিল, প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তাঁরা!

Published by:Simli Raha
First published: