• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • নতুনদের দাপটে একসময়ে বলিউডে কাজ ছিল না সরোজ খানের, মাস্টারজির পাশে দাঁড়ান সলমন

নতুনদের দাপটে একসময়ে বলিউডে কাজ ছিল না সরোজ খানের, মাস্টারজির পাশে দাঁড়ান সলমন

চলে গেলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর

চলে গেলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর

চলে গেলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর

  • Share this:

    #মুম্বই: চলে গেলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। বুধবার রাত থেকেই তাঁর অবস্থার অবনতি হয়েছিল। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

    প্রায় চার দশক ধরে বলিউডে আধিপত্য করেছেন 'মাস্টারজি'। কোরিওগ্রাফি করেছেন দু’হাজারেও বেশি গানে। ১৯৭৪-এ ‘গীতা মেরা নাম’ ছবিতে কোরিয়োগ্রাফির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন সরোজ। তিন বার জিতে নিয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। ২০১৯-এ ‘কলঙ্ক’ ছবিতে মাধুরী দীক্ষিতের গানে শেষ বারের মতো কোরিওগ্রাফি করেছিলেন তিনি।

    তবে ইদানীং বলিটাউনে বেশ কিছুটা কোনঠাসাই হয়ে পড়েছিলেন সরোজ খান। একসময়ে টানা অনেকদিন কোনও কাজ ছিল না। সেই সময় প্রিয়  মাস্টারজিকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন সলমন খান। একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে সরোজ বলেছিলেন, '' যখন আমার আর সলমনের দেখা হল, ও আমায় প্রশ্ন করেছিল, আমি কী করছি বর্তমানে ? বলেছিলাম, কোনও কাজেরই অফার নেই। নতুন অভিনেত্রীদের ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম দিই। সে'কথা শুনেই সলমন বলেছিলেন, '' এখন তুমি আমার সঙ্গে কাজ করবে।''' সরোজ এও বলেন, '' আমি জানি সলমন এক কথার মানুষ, ও কথা দিয়ে কথা রাখবে।''

    কিন্তু মাস্টারজিই একবার রেগে গিয়েছিলেন সলমন খানের উপর । সলমনের এক ভক্ত বিশেষভাবে সক্ষম, হাঁটাচলার ক্ষমতা ছিল না তাঁর । তিনি সরোজজি’কে অনুরোধ করেছিলেন একবার সলমনের সঙ্গে তাঁর কথা বলাতে । সরোজ সলমনকে ফোন করেন । কিন্তু ব্যস্ত ছিলেন সলমন। মাস্টারজি ফোন করেছেন শুনেও ফোন ধরতে অস্বীকার করেন। তাতেই দুঃখ পেয়েছিলেন সরোজ ।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: