Home /News /education-career /
IT Return : ‘‘আমার কত টাকা আয়কর’’ ভাবতে বসেছেন, সহজেই হিসেব করুন আইটি রিটার্ন

IT Return : ‘‘আমার কত টাকা আয়কর’’ ভাবতে বসেছেন, সহজেই হিসেব করুন আইটি রিটার্ন

IT Return: how to calculate income tax- Photo- Representative

IT Return: how to calculate income tax- Photo- Representative

চলতি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর সময় পেরিয়ে গেলে কিন্তু জরিমানা দিতে হতে পারে। নিজেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চান? সহজ পদ্ধতিতেই নির্ণয় করতে হবে করযোগ্য আয়ের হিসেব!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অর্থবর্ষ ২০২১-২২-এ যাঁরা আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন, তাঁদের হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। কারণ চলতি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর সময় পেরিয়ে গেলে কিন্তু জরিমানা দিতে হতে পারে।

আর আয়কর রিটার্ন নিজে তো দাখিল করাই যায়, আর চাইলে বিশেষজ্ঞদের সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে। আসলে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত ফর্মে অনেক তথ্য আগে থেকেই পূরণ করা থাকে। তবে এর জন্য করদাতাকে কিছু হোমওয়ার্ক করতে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল নিজের করযোগ্য আয়ের পরিমাণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া। অর্থাৎ করদাতাকে জানতে হবে নিজের আয়ের সেই অংশটা, যার উপর তাঁকে কর দিতে হচ্ছে। এ-ক্ষেত্রে একটা বিষয় বলে দেওয়া ভালো যে, যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের পক্ষে নিজেদের করযোগ্য আয় (Taxable Income) জানাটা সহজ।

পাঁচ প্রকার আয়ের উৎস

সাধারণত আয়করের নিয়ম অনুযায়ী, আয়ের মোট পাঁচটি উৎস রয়েছে। যেমন - বেতন থেকে আয় (Income from Salary), গৃহ-সম্পত্তি থেকে আয় (Income From house Property), মূলধন লাভ থেকে আয় (Income from Capital gains), ব্যবসা ও পেশা থেকে আয় (Income from business and profession) এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় (Income from other Sources)।

আরও পড়ুন-  Viral Video: সাঁ সাঁ করে উড়ে গেল বল কমেন্ট্রি বক্স লক্ষ্য করে, দীপক হুডার ছক্কার লক্ষ্য কি রবি শাস্ত্রীর মাথা!

বেতন থেকে আয়:

বেতন থেকে আয় শুনে আশা করি বোঝাই যাচ্ছে যে, বেতনের মাধ্যমেই আয় হচ্ছে। এর বিশদ বিবরণ সাধারণত ফর্ম ১৬-এ দেওয়া থাকে। আর করদাতা যে সংস্থার কর্মচারী, সেই সংস্থাই তাঁকে প্রতি বছর ফর্ম ১৬ জারি করে। সংস্থাগুলিকে সাধারণত নিজেদের কর্মীদের জন্য ১৫ জুনের মধ্যেই এই ফর্ম জারি করতে হয়। আর এই ফর্মের এর মধ্যে থাকে পূর্ববর্তী আর্থিক বছরে করদাতার প্রাপ্ত বেতন, প্রতি ত্রৈমাসিকে কাটা টিডিএস-এর পরিমাণ, কর ছাড় প্রভৃতি।

বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত ভাতা এবং ছুটি-ভ্রমণ সংক্রান্ত ছাড়, ৮০সি (80C)-এর অধীনে করা বিনিয়োগ, ৮০ ডি (80D)-এর অধীনে করা মেডিক্লেম প্রিমিয়াম পেমেন্ট সংক্রান্ত কর ছাড় এবং ডিডাকশনের আওতায় আসে। এগুলি ছাড়াও বেতনভোগীরা একটি আর্থিক বছরে ৫০০০০ টাকার স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনও পান।

আরও পড়ুন -Astrology Tips: ‘‘আমি কি বড়লোক হব?’’ জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে মা লক্ষ্মী নিজেই দেন ইঙ্গিত

গৃহ-সম্পত্তি থেকে আয়:

গৃহ-সম্পত্তির তিনটি অংশ। বাড়ি বা গৃহ-সম্পত্তি থেকে আয় জানার জন্যও কিছু শর্তাবলী রয়েছে। এর জন্য সম্পত্তিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্ব-অধিকৃত (Self-Occupied) সম্পত্তি, ভাড়ার সম্পত্তি এবং ভাড়ায় দেওয়া সম্পত্তি। স্ব-অধিকৃত সম্পত্তি মানে এমন একটি সম্পত্তি (বাড়ি), যা কেউ নিজের বসবাসের জন্য ব্যবহার করেন। আয়করের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুটি সম্পত্তি স্ব-অধিকৃত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যদি কারওর কাছে তৃতীয় সম্পত্তি থাকে, সেটা ভাড়ায় দেওয়া থাক বা না-থাক, তা কিন্তু বিবেচনার মধ্যে আসবে না। তা-হলে এখান থেকে হওয়া আয় (ভাড়া) করদাতার আয় হিসাবে বিবেচিত হবে।

মূলধন লাভ থেকে আয়:

এই আয়ের আওতায় মূলধন লাভের মতো একটি বিশেষ ধরনের আয়ও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পত্তি, মিউচুয়াল ফান্ড, শেয়ার বিক্রি থেকে প্রাপ্ত লাভ। এটি সাধারণত দুই প্রকার হয় - স্বল্পমেয়াদী মূলধন লাভ এবং দীর্ঘমেয়াদী মূলধন লাভ। সম্পত্তি ক্রয় এবং বিক্রয় করার পরে যে সময় লাগে, তার উপরেই সাধারণত নির্ভর করে সেই লাভ স্বল্পমেয়াদী মূলধন লাভ হবে না কি দীর্ঘমেয়াদী মূলধন লাভ হবে। বিভিন্ন সম্পত্তির জন্য আবার ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদ রয়েছে।

ব্যবসা ও পেশা থেকে আয়:

ব্যবসা এবং পেশা থেকে আয় এই বিভাগ তাঁদের জন্য বানানো হয়েছে, যাঁরা নিজেদের কর্মসংস্থান নিজেরাই করেন। অর্থাৎ এই শ্রেণির আওতায় পড়েন সেলফ-এমপ্লয়েডরা। এই তালিকায় রয়েছে আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ফ্রিল্যান্সিং কাজের মতো পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। এই ধরনের ব্যক্তিদের 'ব্যবসা ও পেশা থেকে আয়' শিরোনামে নিজেদের আয়ের পরিমাণ ঘোষণা করতে হবে।

অন্যান্য উৎস থেকে আয়:

সব শেষে রয়েছে অন্যান্য উৎস থেকে আয়। অর্থাৎ উপরোক্ত ৪টি আয়ের উৎস ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের কথা এই বিভাগে বলা হয়েছে। যেমন - ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্ট, এফডি অ্যাকাউন্ট, বিমা কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত পেনশন, শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ ইত্যাদি।

করযোগ্য আয়ের হিসেব:

উপরে উল্লিখিত এই পাঁচ ধরনের উৎস থেকে প্রাপ্ত আয় যোগ করতে হবে। তাতে করদাতা নিজের মোট করযোগ্য আয়ের হিসেব পেয়ে যাবেন। এর থেকে করদাতাকে ধারা ৮০সি (80C), ধারা ৮০ডি (80D)-এর অধীনে উপলব্ধ ডিডাকশন বাদ দিতে হবে। এই পরিমাণটা বাদ দেওয়ার পরে অবশিষ্টাংশ অনুযায়ী কর পরিশোধ করতে হবে।

Published by:Debalina Datta
First published:

Tags: Income Tax, Income Tax Return, IT Return

পরবর্তী খবর