Home /News /bankura /
Bankura: জঙ্গলমহলে তৈরি হচ্ছে গ্ৰীণ ব্যাগ

Bankura: জঙ্গলমহলে তৈরি হচ্ছে গ্ৰীণ ব্যাগ

title=

বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় 60 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জঙ্গল মহল এলাকার রানীবাঁধের আদিবাসী প্রধান মৌলা গ্রাম। এই গ্রামে বেসরকারী উদ্যোগে পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গ্রীণ ব্যাগ তৈরি করে বিকল্প আয়ের পথ দেখাচ্ছে জঙ্গল মহল।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া : বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় 60 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জঙ্গল মহল এলাকার রানীবাঁধের আদিবাসী প্রধান মৌলা গ্রাম। এই গ্রামে বেসরকারী উদ্যোগে পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গ্রীণ ব্যাগ তৈরি করে বিকল্প আয়ের পথ দেখাচ্ছে জঙ্গল মহল। শিল্প বিহীন এলাকা হিসেবেই পরিচিত রুখা শুখা লাল মাটির জেলা বাঁকুড়ার জঙ্গল মহল। মূলতঃ কৃষি নির্ভর এই এলাকার একটা বড় অংশের মানুষের হাতে সারা বছর কাজ থাকেনা। ৭৫ মাইক্রনের উপর প্লাষ্টিকের ক্যারিব্যাগ তৈরি, মজুত করা, বিক্রি সর্বোপরি ব্যবহার করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তখনই গাছের পাতা দিয়ে তৈরি 'গ্রীণ ব্যাগ' উপহার দিতে চলেছে সেই জঙ্গল মহলই। ওই গ্রামের মহিলারা সকাল হলেই স্থানীয় শাল জঙ্গল থেকে শুরু করেন শাল-পাতা সংগ্রহের কাজ। তারপর সেই শাল পাতা সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন বাড়িতে। তারপর সেই শাল পাতা দিয়ে সেলাই মেশিনের সাহায্যে তৈরি করা হচ্ছে গ্রীন ব্যাগ। পাঁচ কেজি পর্যন্ত বহন ক্ষমতা যুক্ত এই 'গ্রীণ ব্যাগ' মিলবে মাত্র দু'টাকাতেই।

    এই গ্রিন ব্যাগ তৈরির ফলে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই এলাকার দিন আনা দিন খাওয়া পরিবার গুলির হাতে নগদ অর্থের যোগান, অন্যদিকে পরিবেশ বান্ধব এই ব্যাগ ব্যবহার করে দূষণের মাত্রাও অনেক খানি কমানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাড়িতে বসেই কর্মসংস্থানের সুযোগ হওয়ায় খুশী ঐ গ্রামের মানুষও। পাতা দিয়ে ব্যাগ তৈরির সঙ্গে যুক্ত মহিলারা বলেন, ঘরে বসেই কাজ পাচ্ছি। তবে এই কাজে প্রয়োজন সেলাই মেশিনের।

    আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক ঘটনা! বিদ্যুৎ দপ্তরের উদাসীনতায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল দুই গ্রামবাসীর

    সরকারীভাবে সেলাই মেশিন সরবরাহ করা হলে তারা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে তারা জানান।মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের বাসিন্দা অরবিন্দ মাইতি বলেন, একবার জঙ্গল মহলে বেড়াতে এসে প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও এখানকার মানুষের হাতে কাজ নেই এই বিষয়টা আমার নজরে আসে।

    আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়ার হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালার  জাদুতে মেতেছে শহরবাসী

    তখন এখানকার সহজলভ্য গাছের শালপাতাকে কাজে লাগিয়ে কিছু করার ভাবনা মাথায় আসে। তারপর তাঁর এই উদ্যোগ। একই সঙ্গে সমস্ত উৎপাদিত ব্যাগ তিনি কিনে নেবেন বলেও জানিয়েছেন। প্লাস্টিক বর্জন করে পরিবেশ রক্ষার্থে সহজ মূল্য এই গ্রিন ব্যাগ এখন কতটা চাহিদা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সেটাই দেখার।

    Joyjiban Goswami
    Published by:Soumabrata Ghosh
    First published:

    Tags: Bankura

    পরবর্তী খবর