Siliguri News: শিলিগুড়িতে দেড় কোটির মেগা প্রকল্প! ফেলে দেওয়া থার্মোকল থেকেই হাতে আসবে টাকা, বিরাট পরিকল্পনা পুরনিগমের
- Reported by:Ricktik Bhattacharjee
- Published by:Sneha Paul
Last Updated:
Siliguri News: এক ঢিলে দুই পাখি মাত! একদিকে কমবে শহরের দূষণ, তেমনই তৈরি হবে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। থার্মোকল-দূষণ কমাতে শিলিগুড়ি পুরনিগমের বিরাট পরিকল্পনা। প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচে কী করা হবে জানুন।
শহরে থার্মোকলের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়—এই বাস্তবতা মেনেই বড় সিদ্ধান্ত নিল শিলিগুড়ি পুরনিগম। প্রতিদিন রাস্তাঘাট, বাজার এবং বিশেষ করে মুখ্য নিয়ন্ত্রিত বাজার এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা থার্মোকল দূষণ বাড়াচ্ছে। তাই এবার প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে শিলিগুড়ির ডাম্পিং গ্রাউন্ডে একটি আধুনিক থার্মোকল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। (ছবি ও তথ্যঃ ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা থার্মোকল ওই ইউনিটে এনে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে তা থেকে জামার বোতাম, চাকার মতো বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করা হবে। নির্দিষ্ট একটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সেই সামগ্রী বাজারজাত করা হবে। এতে একদিকে যেমন বর্জ্য কমবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
advertisement
জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের মেয়র পারিষদ মানিক দে জানান, প্রতিদিন মুখ্য নিয়ন্ত্রিত বাজারে লরি ভরে থার্মোকলের বাক্সে মাছ আসে। মাছ আনলোডের পর সেই বাক্সগুলি বাজারের এদিক-ওদিক পড়ে থাকে। অনেক সময় তা পোড়ানোও হয়, যার ফলে বাতাসে মারাত্মক দূষণ ছড়ায়। শহরের অন্যান্য এলাকাতেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।
advertisement
এর আগে থার্মোকলের বদলে প্লাস্টিকের বাক্স ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল পুরনিগম। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকও হয়। তবে ব্যবসায়ীরা জানান, কিছু মাছ থার্মোকলের বাক্স ছাড়া আনলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সম্পূর্ণভাবে থার্মোকল বন্ধ করা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতেই বিকল্প সমাধান হিসেবে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
advertisement
উল্লেখ্য, মানিক দে ও তাঁর দফতরের আধিকারিকরা কলকাতার একাধিক পুরসভায় গিয়ে এই ধরনের ইউনিট পরিদর্শন করে রিপোর্ট জমা দেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ডিপিআর তৈরি হয় এবং প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই উদ্যোগ কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়ে শহরকে দূষণমুক্ত করতে পারে সেটাই এখন দেখার। (ছবি ও তথ্যঃ ঋত্বিক ভট্টাচার্য)







