Jhargram News: হাতি আসবে না লোকালয়ে! জঙ্গলমহলে মাস্টারপ্ল্যান! ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকার মেগা প্রজেক্ট বন দফতরের
- Reported by:Ranjan Chanda
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Jhargram News: হাতি-মানুষের লড়াই থামাতে এবার কোমর বেঁধে নামল বন দফতর। জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের সুরক্ষায় ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে বিশেষ পরিকাঠামো। এবার জঙ্গল থেকে হাতিরা আর ঢুকবে না লোকালয়ে, এমনই ব্যবস্থা করছে বন দফতর।
জঙ্গলমহলের প্রধান প্রাণী হাতি। হাতির সঙ্গে মানুষের সংঘাত দীর্ঘদিনের। যেকোনও সময়ে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে হানা দেয় দলমার দল। হাতি–মানুষের সংঘাত রুখতে বড়সড় উদ্যোগ নিল ঝাড়গ্রাম বন বিভাগ। জঙ্গলের মধ্যে খাদ্য ও জলের অভাব মেটাতে গড়ে তোলা হয়েছে হাতির বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ। ফলের বাগান তৈরি, পুকুর খনন, শাল জঙ্গলের ঘনত্ব বৃদ্ধি এবং ঘাস রোপণের মতো একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বন বিভাগের তরফে। (তথ্য ও ছবি: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গলে পর্যাপ্ত খাবার ও জলের সংকটের কারণে হাতির দল লোকালয়ে হানা দিচ্ছিল। ফলে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছিল। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বন দফতর প্রায় ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গিধনী রেঞ্জের আমতলিয়া এলাকায় হাতির জন্য উপযুক্ত বাসস্থান গড়ে তুলেছে। পর্যাপ্ত খাবার ব্যবস্থা করছে বন বিভাগ।
advertisement
প্রকল্পের আওতায় কানাইশোল ও আমতলিয়া বিটের ডুমুরিয়া, বড়শোল, আমতলিয়া, চাঁদুয়া ও কেশিয়ায় একাধিক পুকুর খনন করা হয়েছে। পাশাপাশি পলাশবনিতে আম, কাঁঠাল, কাজু, চালতা, বেল-সহ বিভিন্ন ফলের গাছের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন বাগান পরিদর্শন করেন রাজ্যের বন মন্ত্রী। জল ও মাটি সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিস্তীর্ণ এলাকায় ট্রেঞ্চ কাটা হয়েছে।
advertisement
একসময় ঝাড়খণ্ডের দলমা পাহাড় থেকে বেলপাহাড়ি হয়ে ঝাড়গ্রামে ঢুকত হাতির দল। তবে গত কয়েক বছরে তাদের চলাচলের রুট পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমানে চাকুলিয়া হয়ে গিধনী রেঞ্জের আমতলিয়া ও কানাইশোল বিট দিয়ে জেলায় প্রবেশ করছে হাতিরা। ফলে এ এলাকাকেই হাতির বসবাসযোগ্য করে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় বন দফতর। একইভাবে হাতিদের খাবারের যাতে সংকুলান না হয় তার ব্যবস্থা করছে প্রশাসন।
advertisement
advertisement
মুখ্য বনপাল (পশ্চিম চক্র) এস কুনালদাইভেল জানান, হাতি–মানুষ সংঘাত রুখতে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা বলেন, আগামী দিনে হাতি কবলিত প্রতিটি জেলায় এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী দিনে হাতি এবং মানুষের সংঘাত কমবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। (তথ্য ও ছবি: রঞ্জন চন্দ)






