Iran America Tension: 'খতম' বলছেন ট্রাম্প, ইরানের উপর 'বড় হামালা', শীর্ষ সামরিক নেতাদের হত্যা করা হয়েছে, দাবি আমেরিকার
- Published by:Pooja Basu
- news18 bangla
Last Updated:
তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প হামলার একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করেছেন যে তেহরানে বেশ কয়েকজন ইরানি সামরিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, "এই বড় হামলায় অনেক ইরানি সামরিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে।" ভিডিওটিতে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ দেখা যায়। প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে ইরানের ‘অনেক’ শীর্ষ কমান্ডারকে ‘খতম’ করা হয়েছে।
Iran America War: ইরান-মার্কিন যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে পরিস্থিতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। একদিকে, আমেরিকা তাঁদের নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজে বের করতে ইরানে নতুন তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে, অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন যুদ্ধ থামিয়ে হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য। ট্রাম্প তারঁ নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পষ্টভাবে লিখেছেন, "হয় একটি চুক্তিতে আসুন অথবা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দিন, নইলে বিপর্যয় ঘটবে।" তিনি এও মনে করিয়ে দেন যে এর আগে ১০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন সময় ফুরিয়ে আসছে।
advertisement
শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি দাবির পর পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এক নাটকীয় নতুন মাত্রা পেয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানে এক ‘ব্যাপক হামলায়’ ইরানের সামরিক নেতৃত্বের শীর্ষ স্তর সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প হামলার একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করেছেন যে তেহরানে বেশ কয়েকজন ইরানি সামরিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, "এই বড় হামলায় অনেক ইরানি সামরিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে।" ভিডিওটিতে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ দেখা যায়। প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে ইরানের ‘অনেক’ শীর্ষ কমান্ডারকে ‘খতম’ করা হয়েছে।
advertisement
এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান ও মার্কিন যুদ্ধ পরিস্থিতি চরমে, যখন পরিকাঠামো ধর্মঘটে ১০ দিনের বিরতি সোমবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আবার নতুন করে ইরানে কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তার সরকারি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা বিশ্ব৷ তবে আঞ্চলিক ক্ষমতার কাঠামো এবং বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তার উপর এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে চলেছে, মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
advertisement
মজার ব্যাপার হল, কিছুদিন আগেও ট্রাম্প নিজেই বলছিলেন যে আলোচনা ভালভাবে চলছিল এবং তিনি ইরানের অনুরোধে হামলা বন্ধ করেছেন। কিন্তু এখন, তাঁর অবস্থান হঠাৎ করেই আবার ৩৮০ ডিগ্রি ঘুরে যাচ্ছে। আর কোনও রকম নরম মনোভাব নয়, খুবই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এটি পরিষ্কারভাবে দেখায় যে আলোচনা এবং যুদ্ধ একই সঙ্গে চলছে, কিন্তু কোনও পক্ষই অন্য পক্ষকে বিশ্বাস করছে না। ট্রাম্পের চরমপত্রের জবাবে ইরানও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ইরানের সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, "যদি আমাদের সেতু, বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা জ্বালানি ঘাঁটিতে হামলা করা হয়, তাহলে আমরা আমেরিকা এবং তার বন্ধু দেশগুলির উপর আরও বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাব।" এর মানে হল, এখন যে কোনও হামলা সরাসরি একটি বড় যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারে।
advertisement
advertisement
উত্তেজনার সবচেয়ে বিপজ্জনক দিকটি এখন ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঘিরে নজরে আসছে। সম্প্রতি সেখানে একটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ে, এতে একজন নিহত হন। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএএইএ) আরও নিশ্চিত করেছে যে, কেন্দ্রটির একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন এবং ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেন্দ্রটির সঙ্গে জড়িত রুশ কোম্পানি রোসাটম তাদের ১৯৮ জন কর্মীকে সরিয়ে নিয়েছে। কোম্পানির প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ বলেছেন, "সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির" দিকে এগোচ্ছে দুই দেশই। তবে, ইরানের গণমাধ্যম দাবি করেছে যে, কেন্দ্রটির প্রধান অংশগুলো অক্ষত রয়েছে এবং উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।







