India Game Changer: কাল কে দেখেছে? ট্রাম্পের ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই ইরান- সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-কাতার ভারতকে করল ফোন
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
India Game Changer: এই ধরণের কূটনৈতিক তৎপরতা এটা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভারত এখন আর কেবল দর্শক নয়, বরং এই সংকটের মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বিশেষ করে যখন বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের সরবরাহ বড় প্রশ্ন চিহ্নের মুখে, তখন ভারতের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলির এই ধরনের যোগাযোগ একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।
কলকাতা: ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাশাহি (ইউএই) এবং কাতার সরাসরি ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ফলে কূটনীতিতে এক নতুন এক মাত্রা যোগ হয়েছে৷ পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা হঠাৎ করেই তীব্র হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার ঠিক আগেই এই ফোনগুলি এসেছে ভারতে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে তিনটি দেশই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে ফোন করেছিল। এই ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটেছে যখন এই অঞ্চলে যুদ্ধসদৃশ উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে এবং প্রতিটি দেশই তাদের কৌশলগত বিকল্পগুলো বিবেচনা করছে।
advertisement
রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মহম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানির সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সরবরাহের ওপর এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাশাহির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন।
advertisement
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও জয়শঙ্করকে ফোন করে বর্তমান সংকট পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন, “ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির কাছ থেকে একটি ফোন পেয়েছিলাম। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি।” তবে, কোন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এই নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি৷
advertisement
জয়শঙ্কর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, "চলমান সংঘাত নিয়ে আজ সন্ধ্যায় কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে।" আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথোপকথনের পর, জয়শঙ্কর বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেন যে তিনি পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবিকাশমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি আরও যোগ করেন, "সংযুক্ত আরব আমিরাশাহির উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল নাহিয়ানের সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার জটিল উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি।"
advertisement
ভারত একটি 'কূটনৈতিক শক্তি' হয়ে উঠছেহঠাৎ এই ধরণের কূটনৈতিক তৎপরতা এটা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভারত এখন আর কেবল দর্শক নয়, বরং এই সংকটের মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বিশেষ করে যখন বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের সরবরাহ বড় প্রশ্ন চিহ্নের মুখে, তখন ভারতের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলির এই ধরনের যোগাযোগ একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি কেবল একটি আলোচনা নয়, বরং আগামী দিনগুলিতে সম্ভাব্য বড় সিদ্ধান্তের একটি পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ভারত কি এই সংকটে ভারসাম্য বজায় রেখে তার স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে, নাকি এই সংঘাত আরও বাড়বে?
advertisement
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছেপারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে ইরান অবরোধ করার পর বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। পশ্চিম এশিয়া ভারতের জ্বালানি ক্রয়ের একটি প্রধান উৎস। ইরান ভারতসহ বন্ধু দেশগুলির জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে।






