বৈচিত্র্যময় পুরুলিয়া জেলা জঙ্গলমহলের অন্যতম লাল মাটির। এই জেলা সমৃদ্ধ হয়েছে লোকোসংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে। পুরুলিয়ার লোকশিল্পের অন্যতম অংশ ছৌ, ঝুমুর, টুসু, ভাদু। ছৌ-এর হাত ধরে দেশে-বিদেশে সর্বত্র পুরুলিয়ার নাম ছড়িয়ে গিয়েছে। এই জেলায় একাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়। এছাড়াও রয়েছে জয়চন্ডী পাহাড়, বরন্তি লেক, পারডি ড্যাম, পাখি পাহাড়, মরগুমা জলাধার সহ আরও নানান ভ্রমণস্থল। পুরুলিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় খাবার ভাবরা ভাজা, এছাড়াও রয়েছে নিকুতি, মন্দিরা, দরবেশ।

Modi to Dilip: হাতজোড় করে কথা শুনছেন দিলীপ! কী বলছেন মোদি...চারপাশে সবার হাসিমুখ, মঞ্চে মিটল দূরত্ব?
'আরে তুম তো বহত বদমাশ হো...!' দিলীপ ঘোষের হাত ধরে ব্রিগেড মঞ্চে হঠাৎ বললেন মোদি, মুহূর্তেই মুচকি হাসি দিলীপের!
বুথের বাইরে কী হচ্ছে সে বিষয়েও নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন! প্রতিটি বুথেই থাকবে 'ওয়েব কাস্টিং'
কেন ডাকা হল না কেন্দ্রীয় বাহিনী, গিরিশ পার্ক কাণ্ডে রিপোর্ট চাইল কমিশন! স্বতঃপ্রণোদিত মামলা পুলিশের, ধৃত ৪

Shashi Panja Attacked: গিরিশ পার্কের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কমিশন! পুলিশ কমিশনারের রিপোর্ট তলব কমিশনের। কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়নি? পুলিশ কমিশনারের কাছে জানতে চাইল কমিশন। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান রয়েছে কলকাতায়৷ তা-ও গিরিশ পার্কের সংঘর্ষে কেন ব্যবহার করা হল না কেন্দ্রীয় বাহিনী? এবার সেই প্রশ্ন তুলে কলকাতা পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষপ্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন৷ নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশের আগে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক৷ এলারকায় পৌঁছয় পুলিশের বিরাট বাহিনী৷ এবার গিরিশ পার্কের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে চাওয়া হল লিখিত রিপোর্ট। কলকাতায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা আছে। তারপরও আজ কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হল না? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গিরিশ পার্ক৷ মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা পাথর ছুড়েছে, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনার সূত্রপাত৷ তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের দু’পক্ষই পরস্পরকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ৷ পুলিশকে লক্ষ্য করেও ইট ছোড়ার অভিযোগ ওঠে৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের বিরাট বাহিনী৷ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে যান৷






ধর্মতলা থেকে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন বাস পরিষেবা রয়েছে কলকাতা থেকে পুরুলিয়া আসার জন্য।
পুরুলিয়া আসার জন্য হাওড়া থেকে নিয়মিত চলে দুটি ট্রেন। এছাড়াও আরও তিনটি ট্রেন রয়েছে সাপ্তাহিকভাবে।