প্রসঙ্গত, রেল শহর খড়গপুরে প্রতি বছরই রাম নবমী উপলক্ষে জাঁকজমকভাবে নানা অনুষ্ঠান হয়। সেই উপলক্ষে মহিলা ও পুরুষদের নিয়ে আয়োজিত হয় লাঠিখেলার প্রশিক্ষণ শিবির। এদিন সেই শিবিরেই উপস্থিত হন দিলীপ ঘোষ। সেখানে উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পাশাপাশি নিজেও হাতে লাঠি তুলে নিয়ে একাধিক ভঙ্গিমায় লাঠিখেলা প্রদর্শন করেন।
advertisement
বেশ কয়েক মিনিট ধরে তাঁর এই প্রদর্শন উপস্থিত মানুষজনের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করে। অনেকেই তাঁর এই অংশগ্রহণকে সাধুবাদ জানান। দীর্ঘদিন পরেও তাঁর লাঠিখেলার দক্ষতা যে অটুট রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে তাঁর পারফরম্যান্সে। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “লাঠিখেলা আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।” তিনি আরও জানান, নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই ধরনের ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ান দরকার।
রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনী প্রচারের মাঝে এই ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে রামনবমীর আগে এমন অংশগ্রহণ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যোগাযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করছেন তিনি।সব মিলিয়ে, খড়গপুরে প্রচারের মাঝে দিলীপ ঘোষের এই ভিন্নধর্মী অংশগ্রহণ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
রঞ্জন চন্দ





