মূলত কুলতলী ব্লকের একাধিক গ্রাম জঙ্গল সংলগ্ন। কারণ সারা বছরজুড়ে বিশেষ করে শীতকালে গ্রামে বাঘ ঢুকে পড়ার ঘটনায় প্রায়ই ঘটে। তাই এই ধরনের উদ্যোগ সুন্দরবনের মানুষের আরও শক্তিশালী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি যৌথভাবে রায়দিঘি রেঞ্জের অধীনে হেরোভাঙ্গা বন কম্পার্টমেন্টের ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ক্যামেরা ট্র্যাপের পাশাপাশি অ্যানিমাল ইনট্রশন ডিটেকশন অ্যান্ড রিপেলেন্ট সিস্টেম বসানো হয়। আর এই প্রযুক্তির মূলত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবহার করা হয়। এত সুন্দর বলে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এলাকায় বন্য প্রাণীর অনুপ্রবেশ ও আগাম সর্তকতা আরও শক্তিশালী এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই ধরনের উদ্যোগে বনবিভাগকে আরও বেশি সাহায্য করবে।
advertisement
আরও পড়ুন: হাহাকার বীরভূমে! হাঁড়ি-বালতি নিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ, কাঠফাটা গরমের আগেই কেন জলকষ্ট? ফুঁসছেন বাসিন্দারা
প্রতিটি ডিভাইস তার কেন্দ্রবিন্দু থেকে ১৮০° কোণে ন্যূনতম ২৫ থেকে ৩০ মিটার এলাকা কভার করতে সক্ষম এবং প্রতিটি ইউনিট অনন্যযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে চালিত হয়। এই পাইলট প্রকল্পটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার করা। বাস্তবায়িত হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পরিচালনাগত নির্ভরযোগ্যতা, শনাক্তকরণের নির্ভুলতা এবং বাঘের অনুপ্রবেশ কমাতে যন্ত্রগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যদিও এই প্রসঙ্গে ডব্লিউটিআই বিভাগে এক প্রধান জানিয়েছেন, “গত বছর আমরা উত্তরপ্রদেশের পিলিভিত ও কাতারনিয়া ঘাটে এটি প্রাথমিকভাবে শুরু করেছিলাম এবং সেটি এখন সফল ভাবে চলছে। আর তাই এবার প্রথমবারের মতো সুন্দরবনে এটি চালু করা হল। এতে আমরা বুঝতে পারব, বাঘ প্রবেশ রোধে কতটা কার্যকর এবং খাল বা বনাঞ্চল থেকে গ্রামে বাঘ ঢোকার ঘটনা কমানো যায় কি না।”





