তবে দাসপুরের বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ৬ মাসের মধ্যে দাসপুরের ‘গোল্ড হাব’ চালুর কথা বলেন। এগিয়ে আসছে ভোট। বিপুল ভোটে প্রার্থীকে জয়লাভের যেমন আবেদন জানিয়েছেন তিনি, তেমনই রাজ্য সরকারের লক্ষী ভাণ্ডার প্রকল্পকে নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করেছেন। দাঁতনের সভা থেকে বলেন, বাংলার পাশে ওড়িশা সরকার যদি লক্ষী ভাণ্ডারের মতো প্রকল্প চালু করে, তবে প্রত্যেকটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী প্রত্যাহার করবে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা ‘অস্ত্র’! জুন মাস থেকে মহিলারা কত টাকা পাবেন মাসে? বিরাট ঘোষণা শুভেন্দুর
ঘড়ির কাঁটায় তখন মধ্যাহ্ন। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে দাঁতনের ঘোলাই হাইস্কুল মাঠ তখন কার্যত জনসমুদ্র। সেই ভিড়কে সাক্ষী রেখে এদিন আগামী পাঁচ বছরের উন্নয়নের ব্লু-প্রিন্ট সাজিয়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দাঁতন ও কেশিয়াড়ি বিধানসভার দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, স্থানীয় প্রশাসনের মুখাপেক্ষী না থেকে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের ভার তিনি নিজের কাঁধেই তুলে নিচ্ছেন। এদিন দাঁতনের প্রার্থী মানিক মাইতি ও কেশিয়াড়ির রামজীবন মাণ্ডির হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিষেক। গত নির্বাচনে দেওয়া দাঁতনে ৫০ কিলোমিটার রাস্তার প্রতিশ্রুতি যে রক্ষিত হয়েছে, সে কথাও মনে করিয়ে দেন।
আরও পড়ুনঃ মুখে ‘এই’ পরিবর্তন দেখলে সাবধান! মারণ কোলন ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে, আজই ডাক্তার দেখান
চিকিৎসার সুবিধার্থে ‘সেবাশ্রয়’-এর ধাঁচে দুই বিধানসভাতেই ডোর-টু-ডোর মেডিক্যাল ক্যাম্প করার ঘোষণাও করেন। রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে বিজেপিকেও এদিন কড়া ভাষায় বিঁধেছেন অভিষেক।গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীদের প্রচারের ধরণকে কটাক্ষ করার পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার প্রসঙ্গ টেনে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। সব মিলিয়ে, ভোটযুদ্ধের প্রাক্কালে অভিষেকের এই ‘ব্যক্তিগত গ্যারান্টি’ দাঁতন ও কেশিয়াড়ির রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।





