জেলাশাসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রতিটি বুথেই থাকবে সিসিটিভির কড়া নজরদারি। গতবারের লোকসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র বুথের ভিতরে ক্যামেরা থাকলেও, এবার নজরদারির পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। এবার বুথের ভিতরের পাশাপাশি বাইরের এলাকাও থাকবে ক্যামেরার আওতায়। এই সমস্ত লাইভ ফিড সরাসরি জেলা ও মহকুমা স্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে তদারকি করা হবে। এমনকি ফ্লাইং স্কোয়াড এবং নাকা পয়েন্টের কাজও ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে প্রতিটি গতিবিধি প্রশাসনের নখদর্পণে থাকে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ অন্য মুডে জঙ্গলমহলের ত্রাস রামলাল! শুঁড় দিয়ে গাছ থেকে টপাটপ এঁচোড় পাড়ছে আর খাচ্ছে, দারুণ দৃশ্য
নির্বাচনের নিরাপত্তা ও তদারকি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তরফে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়েছে। জেলায় নিযুক্ত হয়েছেন মোট ২৫ জন পর্যবেক্ষক, যার মধ্যে রয়েছেন ১৫ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৪ জন পুলিশ এবং ৬ জন ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক। তাঁদের প্রথম দফার পরিদর্শন শেষে তাঁরা ফিরে গিয়েছেন এবং আগামী ৩০ মার্চ পুনরায় জেলায় আসার কথা রয়েছে।
পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ইতিমধ্যই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে রুট মার্চ শুরু করেছেন। আগামীতে বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করে জেলায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয় গড়ে তোলা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে কর্মীদের প্রস্তুতির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক জানান, প্রথম দফার প্রশিক্ষণ পর্ব ইতিমধ্যই শেষ হয়েছে এবং আগামী এপ্রিল মাসে শুরু হবে দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষণ। ইভিএম-এর প্রথম পর্যায়ের র্যান্ডমাইজেশন সম্পন্ন হওয়ার পর সেগুলি কড়া নিরাপত্তায় নির্দিষ্ট ওয়্যারহাউসে পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের র্যান্ডমাইজেশন করে চূড়ান্ত করা হবে কোন মেশিন কোন বুথে যাবে। এবারের ভোটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হতে চলেছে, নারী শক্তির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
জেলাশাসক জানান, প্রায় তিন’শর বেশি বুথ সম্পূর্ণভাবে মহিলা ভোটকর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হবে। যা একটি বড় মাইলফলক। তবে ভোটকেন্দ্রে কোনও রকম হিংসা, ভীতি প্রদর্শন কিংবা ভোটারদের প্রলোভন দেখানো হলে কড়া আইনি পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে প্রশাসন। ভোটকর্মীদের পাশাপাশি পুলিশ আধিকারিকদের প্রতিও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সুস্থ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।






