এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইআইটি খড়গপুরের ডিরেক্টর অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী এবং টিইসি-র ডিডিজি শ্রী কমল কুমার আগরওয়ালসহ দুই প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও গবেষকরা। এই উদ্যোগটি মূলত ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’, ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘ভারত ৬জি ভিশন’-এর মত জাতীয় লক্ষ্যগুলিকে সামনে রেখে গ্রহণ করা হয়েছে। ভারত যাতে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল না থেকে নিজেই শক্তিশালী হয়ে ওঠে, সেই উদ্দেশ্যেই এই দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। এর ফলে ভারতের নিজস্ব গবেষণার মান যেমন বাড়বে, তেমনই আন্তর্জাতিক মঞ্চেও দেশের প্রতিনিধিত্ব আরও দৃঢ় হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: কাউন্টার এখন ভবঘুরেদের দখলে, জয়নগর স্টেশনে টিকিট কাটতে গিয়ে ওলটপালট হচ্ছে সব! খসছে বাড়তি টাকা
সমঝোতার অধীনে মূলত ৫জি এবং আগামী দিনের ৬জি নেটওয়ার্কের জন্য প্রয়োজনীয় উন্নত অ্যান্টেনা সিস্টেম এবং অত্যাধুনিক ওয়্যারলেস প্রযুক্তির ওপর গবেষণা করা হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে আরও দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের উন্নয়ন নিয়েও কাজ চলবে। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহার করে স্মার্ট সেন্সর তৈরি করা হবে, যা জননিরাপত্তা এবং কলকারখানার বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ বা ইএমএফ (EMF) যাতে মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করে, সেই বিষয়ে নজরদারি ও সঠিক মান নির্ধারণের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে ভারতের টেলিকম খাত কেবল সমৃদ্ধই হবে না, বরং বিশ্ববাজারে প্রযুক্তির রফতানিকারক হিসেবেও ভারত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত নিয়ম বা স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করার ক্ষেত্রে ভারত এখন আরও বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে। আইআইটি খড়গপুর জানিয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য হল এমন সব গবেষণা করা, যা সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এবং সরকারের নীতি নির্ধারণে সঠিক কারিগরি সহায়তা দেয়। সবমিলিয়ে, এই যৌথ প্রচেষ্টা ভারতের ডিজিটাল বিপ্লবকে এক নতুন গতি দেবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক উন্নত যোগাযোগ পরিকাঠামো নিশ্চিত করবে।






