প্রতিবছরই এই সময়ে জঙ্গলমহলের বিভিন্ন বনাঞ্চলে আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসে। শুকনো পাতার স্তূপে আগুন ধরলে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের গাছপালায়। ফলে কয়েক হেক্টর বনভূমি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সবুজ অরণ্য ধ্বংসের পাশাপাশি বিপন্ন হয়ে পড়ে বন্যপ্রাণীর বাসস্থানও।
আরও পড়ুনঃ বেসরকারি স্কুলের হস্টেল থেকে নবম শ্রেণির ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! উত্তেজনা অন্ডালে, তদন্তে পুলিশ
advertisement
পরিবেশবিদ ও বন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বনাগ্নি শুধু গাছ ধ্বংস করে না, বাতাসে ছড়িয়ে দেয় বিপুল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড-সহ নানা বিষাক্ত গ্যাস। এর ফলে একদিকে যেমন বায়ুদূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে মানুষের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা, হাঁপানি-সহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ স্ত্রীকে বাপের বাড়ি থেকে আনতে এসে নিজেকে শেষ করলেন যুবক, পরকীয়ার গন্ধ! গ্রেফতার স্ত্রীর প্রেমিক
সাময়িক আনন্দের জন্য করা এই কাজ দীর্ঘমেয়াদে ডেকে আনছে গুরুতর পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত বিপদ। সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জঙ্গলে শুকনো পাতায় আগুন ধরে যায়। দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে স্থানীয় বাসিন্দা ও বনকর্মীরা একযোগে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হলেও, ঘটনাটি ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মানুষের সচেতনতার অভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন, জঙ্গলে ধূমপান না করা, জ্বলন্ত কিছু ফেলে না দেওয়া এবং বনাঞ্চলে আগুন লাগলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানাতে। একমাত্র সচেতনতাই পারে এই বিপর্যয় রুখতে। না হলে সামান্য অসচেতনতার খেসারত দিতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে, হারিয়ে যাবে জঙ্গলমহলের সবুজ ঐতিহ্য।





