অনুষ্ঠানে উপস্থিত জেলা পরিষদের কো-মেন্টর শাওনি সিংহ রায় বলেন, ‘এই সেতু তৈরি হলে গুধিয়া শিমুলডাঙা ও কাপাসডাঙ্গার শিবনগর গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হচ্ছে।’ এখনও জিয়াগঞ্জ যেতে স্থানীয়দের প্রায় ১৫ কিলোমিটার ঘুরপথে যেতে হয়। সময় ও অর্থ—দু’য়েরই অপচয়। এলাকাবাসীর কথায়, ‘বর্ষাকালে ভোগান্তি চরমে উঠত। সেতু হলে ছাত্রছাত্রী থেকে ব্যবসায়ী—সবাই উপকৃত হবেন।’
advertisement
জেলা পরিষদ সূত্রের আশ্বাস, দ্রুত কাজ শুরু করে কয়েক মাসের মধ্যেই নির্মাণ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তাই শিলান্যাসে শুধু ইট-পাথর নয়, জুড়েছে বহু বছরের আশা। পণ্যবাহী যান চলাচলের কথা মাথায় রেখে নদীর উপরে ইদানীং যে সেতু তৈরি প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন-বিরাট সুখবর! নৈহাটির বড়মার মন্দিরে গিয়ে আর দিতে হবে না লাইন! কারা পাবেন বিশেষ সুবিধা? জানুন
গ্রামাঞ্চলে এই যে সেতুগুলি তৈরি করা হবে। তাই এই সেতু তৈরিতে জলের নীচ থেকেই পিলার তোলা হবে। তার উপরে বিছিয়ে দেওয়া হবে কংক্রিটের চাদর। গ্রামের বাসিন্দারা শুধু নয়, দুই পারের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন এই সেতু নির্মাণের ফলে। পাশাপাশি উপকৃত হবেন গাড়ির চালকরা। এই সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম হতে চলেছে।





