জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং জেলার পাঁচটি বিধানসভা মিলিয়ে মোট ১৯৩টি বুথকে ‘ক্রিটিকাল বুথ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বুথগুলিতে ভোটের হার গড়ের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি বা কম হওয়ায় সেগুলিকে বিশেষ নজরে রাখা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, যেখানে গড় ভোটের হারের তুলনায় ১৫ শতাংশ কম বা বেশি ভোট পড়ে, সেই বুথগুলিই ক্রিটিকাল হিসেবে ধরা হয়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ভোটের আবহে মিটল আয়ের চিন্তা! ২১ মাস পর খুলল চোপড়ার চা বাগান, ইদের আগে শ্রমিকদের মুখে হাসি
প্রশাসন জানিয়েছে, বেআইনি লেনদেন, আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্য কোনও অবৈধ সামগ্রী নিয়ে যাতায়াত রুখতে জেলা জুড়ে ৩৪টি নাকা চেকিং পয়েন্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনা ও আধাসেনা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে এবং আরও কয়েকটি কোম্পানি আসার কথা রয়েছে।
এই প্রসঙ্গে জেলাশাসক সুনীল আগারওয়াল বলেন, “যেসব বুথগুলিতে ভোটের শতাংশ গড়ের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করেছে, সেগুলিকেই আমরা ক্রিটিকাল বুথ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। সেখানে বাড়তি নজরদারি থাকবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই— সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সম্পন্ন করা।”
এদিকে পাহাড়ি এলাকার ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জও প্রশাসনের সামনে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রীখোলার মতো দুর্গম বুথে ভোটকর্মীদের দু’দিন আগে রওনা দিতে হবে। অনেক জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় ওয়েবকাস্টিং সম্ভব না হওয়ায় সেখানে ভিডিও রেকর্ডিং, স্যাটেলাইট ফোন ও আরটি সেট ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকাগুলিতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, দার্জিলিং জেলায় প্রায় ১১ লক্ষ ৪৮ হাজার ভোটার এবং ১৪৬৫টি বুথে ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রশাসন কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। ক্রিটিকাল বুথে বাড়তি নজরদারি, নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তির ব্যবহার— সব কিছু মিলিয়ে এবার শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।





