এদেশে প্রথম এই পোকার উৎপাত পরিলক্ষিত হয়। প্রথম দিকে ইউরোপিয়ান মৌমাছির কলোনিতে এই পোকার আক্রমণ চোখে পড়লেও, গত বছর থেকে ভারতীয় মৌমাছিতেও এই পোকার আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। দুই ২৪ পরগণা, সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলায় এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। মূলত মে-জুন থেকে আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর আক্রমণ সর্বাধিক। এই পোকার আক্রমণে কোনও কোনও জায়গায় মৌপালকদের ১০০ শতাংশ পর্যন্ত কলোনি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
advertisement
দিনের পর দিন এভাবে ক্ষতি করলেও এই পোকার হাত থেকে বাঁচার উপায় বলে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ। আক্রমণ প্রতিহত করতে বেশ কিছু সাবধনতা অবলম্বনের জন্য মৌমাছি পালকদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। যেমন নতুন কলোনি কেনার সময় এই পোকার উপস্থিতি আছে কিনা, সেটা দেখে নেওয়া। দুর্বল কলোনিগুলিকে কৃত্রিম খাবারের মাধ্যমে শক্তিশালী করে তোলা। মৌ-বাক্সের ফাটল দ্রুত মেরামত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাশাপাশি, বটম বোর্ড নিয়মিত পরিস্কার করা, সর্বোপরি বাক্সে পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখলেই সেগুলিকে মেরে ফেলা সহ নানা ধরনের সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হচ্ছে। ভারতীয় কৃষি অনুসন্ধান পরিষদের অধীনস্ত অল ইন্ডিয়া কো-অর্ডিনেটেড রিসার্চ প্রজেক্ট অন হানিবি এন্ড পলিনেটরসের বিজ্ঞানীরা পরিবেশ বান্ধব উপায়ে এই পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য গবেষণা করে চলেছেন। এর পাশাপাশি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এই পোকার আক্রমণ সম্পর্কে সজাগ থাকতে মৌমাছি পালকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।





