বিগত প্রায় এক দশক ধরে চোপড়া ব্লকের লক্ষ্মীপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনও স্থায়ী ডাক্তার নেই। কয়েক মাস আগে অবধি সপ্তাহে দু-একদিন ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে একজন চিকিৎসক অস্থায়ী ভিত্তিতে আসতেন। তবে এখন সেটাও বন্ধ হয়েছে। ফলে রোগী দেখা থেকে শুরু করে ওষুধপত্র দেওয়া, সবটাই সামলাচ্ছেন ফার্মাসিস্ট।
আরও পড়ুনঃ গাড়ির ভিতর আগ্নেয়াস্ত্র-নগদ টাকা! ভোটের মুখে নাকা চেকিংয়ে সাফল্য, বক্সিরহাটে গ্রেফতার ৩
advertisement
জানা গিয়েছে, লক্ষ্মীপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন ফার্মাসিস্ট, একজন নার্স এবং একজন গ্রুপ ডি কর্মী রয়েছে। তাঁদেরকেই সব কাজ সামলাতে হচ্ছে। রোজ এখানে গড়ে ১৫০-২০০ জন রোগী এলেও শুধুমাত্র আউটডোর পরিষেবাই আছে। ফলে গুরুতর কোনও সমস্যা দেখা দিলে দূরের স্বাস্থ্যকেন্দ্র অথবা হাসপাতালে ছুটতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ। এই নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তাঁরা।
এই বিষয়ে কাটগাঁও গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, এত বড় সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনও স্থায়ী ডাক্তার নেই। সামান্য শরীর খারাপ হলেও অন্য জায়গায় যেতে হচ্ছে। ডাক্তারের সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানও। বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী হামিদুল রহমান বলেন, ইতিমধ্যেই বিষয়টি স্বাস্থ্য দফতরের নজরে নিয়ে আসা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, শীঘ্রই এই সমস্যা দূর হবে।
অন্যদিকে বিএমওএইচ রণজিৎ সাহা জানান, ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আওতায় পাঁচজন ডাক্তার পাওয়ার কথা আছে। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুরের এই সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রেও একজনের আসার কথা। এবার চিকিৎসকের অসুবিধা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, লক্ষ্মীপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্থায়ী চিকিৎসকের এই সমস্যা নিয়ে কার্যত নাজেহাল স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, দূরে চিকিৎসা করাতে যেতে সময়, টাকা দু’টোই বেশি যাচ্ছে। ফলে একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তাঁরা। এই সমস্যা কবে দূর হয় সেটাই এখন দেখার।
