এর পাশাপাশি চারজন পুলিশ অবজারভার। এবং নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ দেখার জন্য পাঁচজন অবজারভার এসেছে। সবমিলিয়ে ২৫ জন অবজারভার এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য ৩০ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশন জারি হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র যাচাই ৭ এপ্রিল, এবং প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল, ভোটগণনা ৪ মে, এবং ৬ মে-র মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। জেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ লক্ষ ৫ হাজার ১৯২, মহিলা ভোটার ১৯ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮০৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩৯ জন। ১৮–১৯ বছর বয়সী নতুন ভোটার প্রায় ৪৮ হাজার ৯৪৯ জন রয়েছে। জেলায় মোট ৪৪২০টি প্রধান ভোটগ্রহণ কেন্দ্র এবং ৬২০টি সহায়ক কেন্দ্র রাখা হয়েছে।
advertisement
এর মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় ৪০৬৬টি এবং শহরাঞ্চলে ৩৫৪টি বুথ থাকবে। প্রতিটি বিধানসভায় ১ টি করে মডেল বুথ এবং ৪০ টি করে মহিলা বুথ থাকবে।
১৯ মার্চ জেলাশাসক কার্যালয়ে জেলার প্রশাসনিক কর্তা সহ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত বৈঠক সারেন। এ বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল বলেন, “আমাদের জেলাতে মোট ২৫ জন অবজারভার এসেছে। প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্রের জন্য একজন জেনারেল অবজারভার। তিনি সিনিয়র আইপিএস অফিসার। এর পাশাপাশি চারজন পুলিশ অবজারভার। এবং পাঁচজন এক্সপেনডিচার অবজারভার। ওদের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত ডাটা শেয়ার করা হয়েছে। ওরা আমাদের ডাটা দেখে সন্তুষ্ট। এরপর ওনারা প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্র ঘুরে দেখবেন। সব মিলিয়ে স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই এবার প্রধান লক্ষ্য।”
প্রসঙ্গত জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এবার নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে সিসিটিভি থাকবে।
ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। অতীতে খেজুরি, ভগবানপুর, ময়না থেকে এগরা— বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ইতিহাস থাকায় এবার আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। এছাড়াও আন্তঃরাজ্য ও আন্তঃজেলা সীমান্তে নাকা চেকিং শুরু হয়েছে, প্রচারের খরচ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক গতিবিধির ওপরও নজরদারি চালান হচ্ছে। সবমিলিয়ে এবার বিধানসভা নির্বাচন বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন তথা প্রশাসনের কাছে।
সৈকত শী





