জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে নিজের বাড়িতেই এই উদ্যোগ শুরু করেছেন তিনি, যেখানে প্রতিদিন বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের জন্য। প্রতিদিন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন মানুষ এখানে এসে আহার গ্রহণ করছেন। এলাকার দিনমজুর, শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে নানা শ্রেণির মানুষ এই পরিষেবার সুবিধা পাচ্ছেন। সপ্তাহে ছয়দিন আমিষ এবং একদিন নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
advertisement
শুধু খাবার দেওয়াই নয়, এই হেঁসেলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক আন্তরিক পরিবেশ। অনেকেই এখানে এসে প্রার্থীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন, নিজেদের দৈনন্দিন সমস্যা ভাগ করে নিচ্ছেন। ফলে এটি ধীরে ধীরে মানুষের মিলনস্থলেও পরিণত হয়েছে। এই উদ্যোগের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হল রান্নার পদ্ধতি।
গ্যাসের অভাবের কারণে এখানে কাঠের উনুনে রান্না করা হচ্ছে, যা অনেকের কাছেই বাড়ির মতো স্বাদ ফিরিয়ে আনছে। প্রতিদিন ভাত, ডাল, সবজি ও বিভিন্ন পদের রান্না পরিবেশন করা হচ্ছে।স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য বড় সহায়তা হয়ে উঠেছে। অনেকেরই বক্তব্য, “এখানে এসে অন্তত একবেলা নিশ্চিন্তে খাওয়া যাচ্ছে, সেটাই বড় কথা।”ক্রমশ এই ‘কৃষ্ণ দাসের হেঁসেল’ এলাকায় মানবিক উদ্যোগের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে উঠে আসছে।
সুরজিৎ দে





