প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা প্রথমে পেট্রাপোল সীমান্ত বন্দর পরিদর্শন করেন। এরপর তারা যান সীমান্ত লাগোয়া জয়ন্তীপুর গ্রামে। সেখানে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চ করা হয়। গ্রামবাসীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা, আশঙ্কা বা অভিযোগের বিষয়েও খোঁজখবর নেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তারা।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘জিতলেই…!’ জয়গাঁকে নিয়ে বড় আশ্বাস তৃণমূলের, পাল্টা যা বলল বিজেপি
প্রতি নির্বাচনের আগে সীমান্ত পেরিয়ে দুষ্কৃতীদের অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে জেলাশাসক জানান, পেট্রাপোল সীমান্ত বন্দর ও সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। এই এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে সব রকম ভাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সকলেই যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন, সেটাই লক্ষ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অন্যদিকে, পুলিশ সুপার বলেন, কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডে বসবাসকারী কিছু ভোটার পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। রুট মার্চ চলছে। যাঁদের মধ্যে সংশয় ছিল, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি বোঝানো হয়েছে। তাঁদের কোনও অভিযোগ থাকলে তা শোনা হয়েছে। প্রশাসনের এই তৎপরতায় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, সাধারণত ভোটের সময় বড় ধরনের অশান্তির ঘটনা না ঘটলেও, প্রশাসনের নিয়মিত টহল ও রুট মার্চ তাঁদের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়িয়েছে। এখন দেখার ভোট পর্ব কতটা শান্তিপূর্ণ হয় এই সীমান্ত এলাকায়।





