সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি লক্ষীর ভান্ডার প্রসঙ্গে আরও বলেন, এই প্রকল্পের টাকা বাড়ান হচ্ছে শুধুমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে। ২০২১ সালে ৫০০ টাকা দিয়ে শুরু হয়েছিল। তারপর ধাপে ধাপে তা বাড়ান হয়েছে। এখন তা দেড় হাজার টাকায় পৌঁছেছে। কিন্তু তাঁর প্রকৃত উন্নয়নের ভাবনা নেই বলে দাবি। রয়েছে শুধু ভোটের কৌশল। অস্থায়ী কর্মীদের প্রসঙ্গেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি বলেন, ‘রাজ্যের সিভিক ভলেন্টিয়ার-সহ অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করা হবে। পাঁচ-সাত হাজার টাকা নয়। একটা সংসার চালাতে যে টাকা খরচ হয় সেই টাকাই তাদের দেওয়া হবে। এখনকার বিবেচনায় নূন্যতম ২১ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’
advertisement
তিনি আরও বলেন, ‘কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে। রাজ্যের বাইরে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য রাজ্যেই কাজের ব্যবস্থা করা হবে।’ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও তিনি কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেব।’ শিক্ষার মান উন্নয়নে বামফ্রন্ট বিশেষ গুরুত্ব দেবে বলে জানান। পাশাপাশি যুব সাথী প্রকল্প নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। বলেন, শুধুমাত্র ভোটের আগে এই ধরনের প্রকল্পের প্রচার বাড়ান হয়।





