কর্মীসভায় মহিলা নেত্রী ও কর্মীদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়, কীভাবে প্রার্থী হামিদুল রহমানকে বিপুল ভোটে জয়ী করা যায় এবং বিশেষ করে মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে সংগঠিত করা যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, বিশেষত মহিলাদের জন্য চালু প্রকল্পগুলি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন নেত্রীরা।
আরও পড়ুন: ক্ষমতায় এলে ৪৫ দিনে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জমি দেবে বিজেপি সরকার! ঘোষণা অমিত শাহের
advertisement
সভা শেষে রাস্তায় নামে মহিলাদের বিশাল মিছিল। সোনাপুরের বিভিন্ন এলাকা, মিলিক বস্তি ও বাজার চত্বর ঘুরে এই মিছিলের মাধ্যমে সরাসরি মহিলা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দোকানদার থেকে গৃহবধূ সব স্তরের মহিলাদের কাছে গিয়ে তৃণমূলের উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরেন কর্মীরা।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থীর সহধর্মিনী মরিয়ম, চোপড়া ব্লক মহিলা সভানেত্রী আসমা তারা বেগম, সোনাপুর অঞ্চলের প্রধান রবি খাতুন, জেলা পরিষদ সদস্য মনিকা সিংহ-সহ একাধিক মহিলা নেতৃত্ব। তাদের সক্রিয় উপস্থিতি কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ জোগায়।
আরও পড়ুন: ‘একমাত্র আমার নাম দেখলাম জানি না ক’জনের নাম কাটা গিয়েছে’! SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তোপ শশী পাঁজার
শেষে কর্মীরা শপথ নেন, সোনাপুরের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবেন এবং বিশেষ করে মহিলা ভোটকে একত্রিত করে প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে জয়ী করবেন। নির্বাচনের আগে মহিলা শক্তিকে সামনে রেখেই এই কৌশল যে তৃণমূলের বড় বাজি, তা স্পষ্ট এই কর্মসূচি থেকেই।