মেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় হ্যাম রেডিও অপারেটরদের ক্যাম্প বসানো হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া কোনও ব্যক্তি বা পরিবারের সদস্যকে সেখানে নিয়ে এলেই শুরু হয় দ্রুত যোগাযোগের কাজ। আধুনিক বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে মেলার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা অন্য হ্যাম রেডিও ক্যাম্পগুলিকে খবর পাঠানো হয়।
এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই খোঁজ মেলে হারিয়ে যাওয়া বা খুঁজতে থাকা পরিবারের সদস্যদের।স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছেন, ভিড়ের মধ্যে মোবাইল নেটওয়ার্ক অনেক সময় কাজ করে না। সেই পরিস্থিতিতে হ্যাম রেডিওই একমাত্র নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
advertisement
আরও পড়ুন: কোভিডের চেয়েও ভয়ঙ্কর নিপা ভাইরাস, বর্ধমানে ১০৩ জনকে হোম আইসোলেশনের নির্দেশ
কোনও নেটওয়ার্ক ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয়। এই কারণেই প্রশাসনের পাশাপাশি হ্যাম রেডিও দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। উত্তরপ্রদেশের আজাদনগর মাধুগঞ্জ থেকে নিজের পরিবারের সঙ্গে গঙ্গাসাগরে এসে ছিলেন বছর সত্তরের শম্ভু দয়াল অসংখ্য পুণ্যার্থীদের ভিড়ে হারিয়ে ফেলে নিজের স্ত্রীকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ভর্তি করানো হয় কচুবেড়িয়া হাসপাতালে খবর দেওয়া হয় হ্যাম রেডিওকে। ডিজিটাল মোবাইল রেডিও টেকনোলজি ব্যবহার করে দিবস মন্ডল, নির্মলেন্দু মাহাতোরা দ্রুত সুদূর উত্তরপ্রদেশে যোগাযোগ করেন তার পরিবারের সঙ্গে, অবশেষে আজ তার বড় ছেলে অমিতের সঙ্গে তিনি ফিরছেন বাড়ির উদ্দেশে, সঙ্গে উদ্ধার করা আধার কার্ড, মোবাইল, ও নগদ টাকা। আবারও প্রমাণ হল মেলা শেষ হলেও হ্যাম রেডিও কাজ শেষ হয় না চলতে থাকে।






