ইতিহাস সূত্রে আরও জানা যায় স্বর্গীয় রামগোপাল খাঁ চৌধুরীর চারভাই ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে শ্যামচাঁদ বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৭২৬ খ্রিস্টাব্দে শ্যামচাঁদ মন্দিরে এই বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে নদিয়ার সে সময় এবং এসময়ের ৫২ ফুট প্রশস্ত ৭০ ফুট সুউচ্চ আটচালা মন্দির আজও ঐতিহাসিক এবং ভৌগলিক গুরুত্ব যথেষ্ট।
আরও পড়ুন-‘মহাপ্রলয়’ আসছে….! কেতুর গোচরে কাঁপবে দুনিয়া, ৩ রাশির জীবন সঙ্কটে, আর্থিক ক্ষতি কাঙাল করে ছাড়বে
advertisement
তবে এত ব্যয় বহুল মন্দির স্থাপনে সে সময়ে কৃষ্ণনগরের রাজবাড়ির ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। সে সময়কার রাজা রঘুরাম রায় তার পুত্র কৃষ্ণচন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে এক লক্ষ স্বর্ণ মুদ্রা সহযোগিতা করে নিজে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন।সেই কারণেই বর্তমান প্রজন্মের রাজবংশের প্রবীণ সৌরিশ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী অর্থাৎ রানিমা বলে খ্যাত অমৃতা দেবীমন্দির কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রনে উপস্থিত হন আজও।
আরও পড়ুন-‘ভয়ঙ্কর নির্যাতন! টাকার জন্য এটাও করেছি…!’, বলিউডের নোংরা কেচ্ছা ফাঁস করলেন নীনা গুপ্তা
এই মন্দিরে সনাতন ধর্মের দুর্গাপূজা ও কালীপূজা ব্যাতিত সমস্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলি সংগঠিত হয়। ৩০০ বছরের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে সুব্রত ঘোষ, তাকেও এদিন মন্দির কমিটি সম্বর্ধনা প্রদান করে।





