জড়িসাই থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে বৈতা বাজার। সদর শহরের দূরত্ব প্রায় ৭০-৮০ কিমি।সেখানকার সাধারণ পরিবারের মেয়ে এনাক্ষীর অসাধারণ প্রতিভা আজ বহু মানুষের মন জয় করেছে।
advertisement
তিন-চার বছর বয়সেই মায়ের কাছে গান শেখা শুরু। মায়ের হাত ধরেই সুরের প্রথম পাঠ। কয়েক বছর পর নিজেকে আরও ভালভাবে গড়ে তুলতে এলাকার বিশিষ্ট সঙ্গীত শিক্ষকের কাছে তালিম নিতে শুরু করে সে। ছোট্ট বয়সেই তার কণ্ঠে ধরা পড়ে স্বর্ণযুগের গানের আবেগ ও গভীরতা।
২০২৫ সালের গোড়ায় গানের প্রতি ভালবাসা তাকে পৌঁছে দেয় কলকাতার জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলের শোতে। সেখানে আমন্ত্রিত শিশুশিল্পী হিসেবে একাধিক পুরনো দিনের জনপ্রিয় গান গেয়ে উপস্থিত অতিথিদের মুগ্ধ করে এনাক্ষী। সেই শুরু। তারপর পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বহু বড় মঞ্চে একক শিল্পী হিসেবে অনুষ্ঠান করছে সে।
আরও পড়ুন: ‘কুকুর’ হঠাৎ যদি তাড়া করে..! সঙ্গে সঙ্গে করুন এই ‘কৌশল’, জানুন বিশেষজ্ঞের ‘টিপস’!
প্রায় ছ’মাস একটি বাংলা ব্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করেছে এনাক্ষী। তবে পড়াশোনার কথা ভেবে আপাতত সেই ব্যান্ড থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছে। তবুও একক অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি নিয়মিত। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছেও সে ভীষণ প্রিয়। বিদ্যালয়ের যে কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বাভাবিকভাবেই তার ডাক পড়ে।
গানের পাশাপাশি তবলা ও গিটার বাজাতেও পারদর্শী এই ক্ষুদে শিল্পী। পড়াশোনা ও সঙ্গীত— দুটোই সমানভাবে চালিয়ে যাচ্ছে এনাক্ষী। ছোট্ট গ্রাম থেকে বড় স্বপ্ন দেখা এই মেয়ের লক্ষ্য একটাই— গানকে সঙ্গী করে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া। জড়িসাই আজ গর্বিত তার এনাক্ষীকে নিয়ে।
রঞ্জন চন্দ





