কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি সিঁদুর টকটকে লাল। কিন্ত সিঁদুর গাছের ফলের দানা থেকে তৈরি জৈব সিঁদুর লালচে মেটে রঙের। বজবজ দু’নম্বর ব্লকের সাউথ বাওয়ালির চকেতবাটি রায়পাড়ার বাসিন্দা নিমাইচাঁদ পাত্র একটি নার্সারির মালিক। তিনি গত তিন বছর ধরে সিঁদুর গাছের চারা তৈরি করছেন।
আরও পড়ুন: সিউড়িতে জলের জন্য রক্তারক্তি! প্রতিবেশীর মারে হাসপাতালে গৃহবধূ, রণক্ষেত্র এলাকা
advertisement
তাঁর কথায়, দীর্ঘদিন ধরে লাল টকটকে কেমিক্যালের তৈরি সিঁদুর বাজার দখল করে রয়েছে। কিন্তু তা ব্যবহারে অনেক সময় শরীরে সমস্যা দেখা দেয়। ফলে অনেকেই এই ফল ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিক্সা ওরেলানার এই গাছটি লিপস্টিক গাছ হিসেবে পরিচিত। এর বীজ থেকে গাঢ় কমলা-লাল রঞ্জক (বিক্সিন) পাওয়া যায়, যা খাদ্য এবং প্রসাধনীতে (লিপস্টিক) রঙ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই গাছটি তার ঔষধি গুণাবলী, বিশেষ করে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এই গাছ ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এটি আয়ুর্বেদিক এবং ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় প্রদাহনাশক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার ফলে এই গাছের গুরুত্ব বাড়ছে।






