সেজন্য প্রথমে পেভার ব্লক দেওয়া হচ্ছে। যাতে বর্ষার জল এর মধ্যে দিয়ে সরাসরি মাটির মধ্যে চলে যায়। এরপর বিটুমিনাসের আস্তরণ দেওয়া হচ্ছে। ফলে খরচ হচ্ছে বিপুল পরিমাণে। ৪১০ মিটার রাস্তা তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় দুই কোটির টাকার কাছাকাছি। বিপুল পরিমাণে খরচের এই রাস্তা ধাপে ধাপে তৈরি হবে। এটি পরীক্ষামূলকভাবে করা হচ্ছে। এই কাজের সফলতা মিললে আরও অন্যান্য জায়গায় করা হবে। এই ধরণের কাজের সফলতা মিললে রাস্তা খারাপের সম্ভবনা কমবে।
advertisement
ইতিমধ্যেই রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেছেন রায়দিঘির বিধায়ক ডঃ অলক জলদাতা-সহ আরও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বর্ষায় জল জমলেও কোনও সমস্যা হবে না। এই রাস্তা তৈরির ফলে খাড়ী থেকে কাশীনগর বাজারে আসার খুবই সুবিধা হবে। ধাপে ধাপে এই রাস্তাটি আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই কাজ নিয়ে খুশি স্থানীয়রা। এখন দেখার এই কাজ কতটা সফলতা পায়। এই কাজের উপর নির্ভর করবে পরবর্তীকালে রাস্তার কাজ কেমন হবে। এখন দেখার ভবিষ্যতে কি হয়।





