পাঁচজন সঙ্গীর সামনে থেকেই আবুরআলিকে কামড়ে জঙ্গলে টেনে নিয়ে যায় বাঘ। অন্ধকারের কারণে সেদিন তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরদিন বনদফতরকে জানানো হলেও তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীকালে একটি সংগঠনের এর সহযোগিতায় পরিবার মামলা দায়ের করে কলকাতা হাইকোর্টে। মামলায় বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্র নির্দেশ দেন, ৩০ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে পরিবারকে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করতে হবে।

advertisement

আরও পড়ুন: বৃষ্টির দিনে আর হবে না ভোগান্তি, ২৯ লক্ষ টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে ভাগ্য! আনন্দে মিষ্টিমুখ গ্রামবাসীদের

আবুরআলির তিন সন্তান বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বড় ছেলে পড়াশোনা ছেড়ে কলকাতায় কারখানায় কাজ করছে, মেজ ছেলে মাদ্রাসায় পড়ে, আর ছোট সন্তান মায়ের সঙ্গে অস্থায়ী ঝুপড়িতে থাকে। ফরেস্ট ভলান্টিয়ারের চাকরির নিয়ম থাকলেও পরিবার এখনও তা পায়নি। ওই সংগঠনের দাবি সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশ অনুযায়ী বাঘের আক্রমণে নিহত পরিবারকে ন্যূনতম ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

বিচারপতি বি আর গভাই-সহ বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করেন। এ প্রসঙ্গে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পরিবারটি বর্তমানে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ, মৃত্যুর সার্টিফিকেট ও মহিমা মোল্লার কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এর পাশাপাশি সংগঠনের দাবি, ৩০ মার্চের মধ্যেই নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে।

advertisement