বংশীহারী ব্লকের ধুমপাড়া গ্রামের একেবারে শেষ প্রান্তে অবস্থিত বিবিহার কালী মন্দির। চারিদিক ধু ধু মাঠ। গাছগাছালির মধ্যে একাকী দাঁড়িয়ে রয়েছে পাকা মন্দিরটি। পর্যাপ্ত আলো নেই। সন্ধের পর থেকে এলাকাটি কেমন গা ছমছমে হয়ে ওঠে। দিনের বেলাতেও লোকজনের চলাচল কম।
advertisement
মন্দিরের দেবীমূর্তিটি প্রায় ২৫০ বছর পুরনো। কিন্তু আজও ভক্তদের কাছে বিবিহার কালী অত্যন্ত জাগ্রত। এলাকাবাসীরা বলেন, মা এখানে জ্যান্ত। মায়ের কাছে মানত করে সেই মানত পূরণ হলে ভক্তরা পাঁঠাবলি দেন। দীপান্বিতা অমাবস্যা, বছরের এই একটা সময়ে মন্দিরে ভক্তের ঢল নামে। বছরের অন্যান্য সময়ে মন্দির ফাঁকাই থাকে। ভক্তিভরে মায়ের কাছে পুজো দেওয়া যায়।
তবে মাঝে বেশ কিছু বছর বন্ধ ছিল বিবিহার কালী মায়ের পুজো। প্রায় ৭০ বছর আগে ফের শুরু হয় মায়ের আরাধনা। রাজপুত বংশজাত ক্ষত্রিয় সন্তান হরিচরণ সিংহ দ্বিতীয়বার শুরু করেছিলেন বিবিহার কালীর পুজো। তন্ত্রমতে মায়ের পুজো শুরু করেন তিনি। সেই থেকে আজও চলে আসছে এই পুজো। হরিচরণবাবুর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলেরা বিবিহার কালী পুজোর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
