আর যার ফলে প্রায়শই ভাঙছে বাঁধ। নদী আর বাঁধের মধ্যে জায়গা ছাড়া হচ্ছে না, ফলে ক্ষতি হচ্ছে। সুন্দরবনের নদী বাঁধ ভাঙা নিয়ে এই তত্ত্ব সামনে আনলেন সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ সুভাষ চন্দ্র আচার্য। বিগত দিনগুলিতে দেখা গিয়েছে, অনেক নদী কার্যত হারিয়ে গিয়েছে। কোথাও জলের প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও আবার নদীর জলরাশিকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

advertisement

আরও পড়ুন: ভোর থেকে হাতির তাণ্ডব গ্রামে, অতিকায় দাঁতালকে ক্রেনে ঝুলিয়ে সরিয়ে নিয়ে গেল বন দফতর! অভিযান দেখে শিউড়ে উঠবেন

তার ফলে দেখা গিয়েছে সমস্যা আরও বাড়ছে। সাধারণত জোয়ারের সময় জল ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভিতরে চলে আসে। এরপর আবার পলি নিয়ে সাগরে চলে যায় ভাটার সময়। কিন্তু নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হওয়ায় প্লাবন ভূমি পাচ্ছেনা সুন্দরবনের নদীগুলি। ফলে বিপুল পরিমাণে পলি জমা হচ্ছে নদীতেই। জোয়ারের সময় সমুদ্র থেকে জল প্রবেশ করলে সেই পলির উপরেই জল দাঁড়াচ্ছে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

ফলে চাপ বাড়ছে বাঁধের উপর। এই সমস্যা সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বাঁধ ভাঙবে। এতদিন পর্যন্ত বাঁধ ভাঙার জন্য দুর্বল নদী বাঁধ ও বিশ্ব উষ্ণায়নকে প্রধান কারণ হিসাবে দাবি করা হত। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হওয়ায় বিপরীত প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ফলে ভাঙছে বাঁধ। এ নিয়ে সকলকে সতর্ক হতে হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

advertisement