বর্তমানে গুরুতর সমস্যার ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালের ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু মৌসুনি দ্বীপের মত গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যটন কেন্দ্রে এই হাসপাতালে চিকিৎসক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি মাত্র তিনজন নার্স ও একজন ফার্মাসিস্টের ওপর নির্ভর করেই চলছে। চিকিৎসকের অভাবে রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে নার্সদের।
advertisement
এ নিয়ে স্থানীয় গুরপদ জানা, বাচস্পতি গুড়িয়ারা জানিয়েছেন, এই হাসপাতালের গুরুত্ব বুঝে এখানে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসক থাকা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। দ্রুত এ ব্যাপারে আলোকপাত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা মৌসুনিতে ১০ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক পরিষেবা চালু করা এবং অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রায় তিন বছর আগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে একটি টয়লেট উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী। তবে বর্তমানে সেটিও তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যদিও সমস্যার সমাধান করতে সরকার সবরকম চেষ্টা করে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসক ওখানে যেতে চাইছেন না। পোস্টিং পেয়েও যাচ্ছেন না। এই সমস্যার সমাধান করা হবে বলে জানানো হয়েছে এবার।





