ব্যস্ত জীবনে পড়ার সময় নেই অনেকেরই, তাই কানে হেডফোন লাগিয়ে বই ‘শোনার’ প্রবণতা বাড়ছে। আগে রেফারেন্স বা গবেষণার জন্য লাইব্রেরী ছিল একমাত্র ভরসা। এখন গুগল বা উইকিপিডিয়া এক ক্লিকেই সব তথ্য হাতের নাগালে এনে দিচ্ছে। মানুষের ধৈর্য কমে আসছে। দীর্ঘক্ষণ মন দিয়ে বই পড়ার বদলে মানুষ ছোট ভিডিও বা স্ক্রল করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। তবে প্রযুক্তি আমাদের তথ্য দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু লাইব্রেরী যে ‘সংস্কৃতি’ ও ‘পরিবেশ’ দেয়, তা স্মার্টফোন দিতে পারে না। ফোনের স্ক্রিনে বই পড়ার সময় নোটিফিকেশন আমাদের মনকে বিক্ষিপ্ত করে।
advertisement
লাইব্রেরীর নিস্তব্ধতা গভীর পাঠের জন্য অপরিহার্য। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ বা পুরনো পাতার হলদেটে ছোঁয়া, এগুলি একজন প্রকৃত পাঠকের কাছে এক অন্যরকম অনুভূতি। যা ডিজিটাল স্ক্রিনে অসম্ভব। লাইব্রেরী কেবল বইয়ের ঘর নয়, এটি মতবিনিময় এবং সুস্থ আলোচনার জায়গা ছিল। লাইব্রেরী হল একটি সভ্যতার স্মৃতিশক্তি। প্রযুক্তি আসুক, কিন্তু এই স্মৃতিশক্তি যেন বিলুপ্ত না হয়ে যায়। এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এক গুচ্ছ সামাজিক কর্মসূচী নিয়ে এগিয়ে চলেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রাজ্যের জেলায় জেলায় ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের পঠনপাঠনের কাজে গত এক দশক ধরে কাজ করে চলেছে কলকাতাস্থিত সামাজিক সংগঠন। মূলত স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করার দৌলতে মিলেছে পুরস্কার। এ বিষয়ে কুমার প্রমথনাথ রায় পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্টের আর্থিক সহায়তায় চার মাস ধরে জেলায় জেলায় নানাধরনের কর্মযজ্ঞ আয়োজন করেন তারা। তাদের মূল উদ্দেশ্য মোবাইল ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের বই পড়ার ওপর জোর দিয়েছেন। এর পাশাপাশি বয়স্ক মহিলা এবং পুরুষদের পড়াশুনার প্রতি ভালবাসা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সপ্তাহে একদিন করে এভাবেই প্রান্তিক মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেখেছে সামাজিক সংগঠন ।






