যাঁরা শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে অগ্রাহ্য করে সাহসিকতার সঙ্গে দৌড় সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে নামেন। ম্যারাথনের সূচনা করেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস। উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উত্তম দাস, একাধিক পঞ্চায়েত সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধি এবং জেলা পরিষদের সদস্যরা। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। তবে সব আয়োজনের মধ্যেও বিশেষভাবে সক্ষম প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণই এদিনের অনুষ্ঠানে এক অন্য মাত্রা যোগ করে। দর্শকদের হাততালি, উল্লাস আর উৎসাহের মধ্য দিয়ে একে একে দৌড় শুরু করেন তাঁরা।
advertisement
কারও কৃত্রিম অঙ্গ, কারও চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা তবুও মুখে ছিল দৃঢ় প্রত্যয়ের ছাপ। উপস্থিত বহু মানুষ বলেন, এই দৌড় শুধু প্রতিযোগিতা নয়, জীবনের লড়াইকে জয় করার এক প্রতীক। এই ম্যারাথনে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও গুজরাট, বিহার, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রতিযোগীরা অংশ নেন। এছাড়াও কেনিয়া থেকে তিনজন এবং ঘানা থেকে একজন অ্যাথলিট এই দৌড়ে সামিল হন। মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল আনুমানিক দুই হাজার, যার মধ্যে প্রায় দেড় হাজার পুরুষ প্রতিযোগী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিধায়ক পরেশ রাম দাস বলেন, “বিশেষভাবে সক্ষম প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। এই ম্যারাথন কেবল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি মানুষের মানসিক শক্তি ও ইচ্ছাশক্তির উদযাপন।” তিনি জানান, মোট ৮০ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হবে এবং সকল ফিনিশারকে দেওয়া হবে অংশগ্রহণের সার্টিফিকেট। পুরস্কারের মোট অর্থমূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে ক্যানিংয়ের এই ম্যারাথন প্রমাণ করল শরীর নয়, মনই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষভাবে সক্ষম দৌড়বিদদের সাহসিক উপস্থিতি এদিনের ক্রীড়া উৎসবকে সত্যিই স্মরণীয় করে রাখল।





