এই মেলায় সকাল থেকেই চোখে পড়ার মতো ভিড় ছিল। হাসপাতাল চত্বরে একাধিক স্টল বসানো হয়, যেখানে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকেরা সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেন। বিভিন্ন রোগে ভেষজ চিকিৎসার কার্যকারিতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রাকৃতিক উপাদানের ভূমিকা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা ব্যবস্থার সুবিধা সম্পর্কে উপস্থিতদের সচেতন করা হয়।
advertisement
মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভেষজ গাছের চারা বিতরণ। তুলসি, অ্যালোভেরা, অশ্বগন্ধা, নিমের মতো নানা ঔষধি গাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিলি করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য, বাড়ির আশেপাশে এইসব গাছ লাগালে প্রাথমিক স্বাস্থ্য রক্ষায় অনেক উপকার পাওয়া যায়। পাশাপাশি আয়ুর্বেদিক ওষুধ ও ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়।
শুধু চিকিৎসা সচেতনতা নয়, এই মেলা ঘিরে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও ছিল। স্থানীয় স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে অঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা নেয় বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে সারা দেশে বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে ব্লক স্তরে আয়ুষ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে বলেই আশা প্রশাসনের।





