ঝাঁ চকচকে এই স্কুলকে নিয়ে খুশি স্থানীয়রা। প্রায় অর্ধশতাব্দী পুরনো এই বিদ্যালয়টি আগে ভগ্নদশায় ছিল। টালির চাল, ভাঙা প্রবেশদ্বার এবং চারপাশে রাস্তা ও নিকাশির সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় ছাত্রছাত্রীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হত। বর্তমানে সেই পরিস্থিতির সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়ার বিনোদনে নতুন মাত্রা! জেলার বুকে ঝাঁ চকচকে আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা হল, সিনেপ্রমীদের আর ছুটতে হবে না কলকাতা

advertisement

আধুনিক ক্লাসরুম, উন্নত পরিকাঠামো, চেয়ার-টেবিল, পরিষ্কার পরিবেশ এবং মিড-ডে মিলের সুব্যবস্থা-সহ নতুন দ্বি’তল ভবনে এখন প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ১৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়ে রয়েছেন সাতজন শিক্ষক-শিক্ষিকা।

View More

আরও পড়ুনঃ বিদেশের লাখ টাকার চাকরি ছেড়ে জীবনের বাজি! বাংলার মাটিতেই খুঁজলেন লক্ষ্মীলাভের চাবিকাঠি, হাওড়ার উদ্যোক্তার অবিশ্বাস্য সাফল্যের কাহিনি

advertisement

এ নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিরণ কুমার চৌধুরী জানান, স্কুলের সম্পূর্ণ চেহারা বদলে গিয়েছে। রাস্তা ঢালাই থেকে শুরু করে পরিবেশ উন্নয়ন সব ক্ষেত্রেই তার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়কে একটি মডেল স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

বাংলায় সব ভাষা ও ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করেন। সেজন্য সকল ভাষাভাষী মানুষের শিক্ষা ও উন্নয়নের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে হিন্দি মাধ্যম স্কুলও এখানে সমান গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।