স্টেট মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা এবং কেএমডিএ যৌথ ভাবে এই কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ড্রোন নদী পাড়ের পর থেকে ১০০ মিটার ভূমি অংশেও সমীক্ষা করবে। দুই তীরেই এই কাজ চলবে। নদীর তীরের প্রায় ৮০ মিটার এবং জলের ২০ মিটার পর্যন্ত এলাকা দেখা হবে। ড্রোনের মাধ্যমে প্রতিটি নর্দমার অবস্থান ও তার আকার ম্যাপ করা হবে। এর ফলে সরকারি আধিকারিকরা জানতে পারবেন, ঠিক কোন কোন জায়গা দিয়ে নোংরা জল গঙ্গায় মিশছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০ নর্দমার তথ্য মিলিছে।
advertisement
আরও পড়ুন: আম-লিচুর পাশাপাশি মালদহে আয়ের নতুন দিশা! মধু উৎপাদনে কীভাবে রেকর্ড গড়ছেন চাষিরা, জানুন
ড্রোনের মাধ্যমে পাওয়া নতুন তথ্যের সঙ্গে এই পুরনো তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে। আগে শুধুমাত্র পায়ে হেঁটে বা সশরীরে হাজির থেকে এই সমীক্ষা করা হত। কিন্তু ড্রোনের ব্যবহারের ফলে এখন এমন সব নর্দমা খুঁজে পাওয়া যাবে, যা আগে নজরে আসেনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই সমীক্ষার উদ্যেশ্য হল গঙ্গায় নোংরা জল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নর্দমাগুলোকে চিহ্নিত করে নোংরা জল শোধনাগারে নিয়ে যাওয়া। শোধন করার পর সেই জলে মাছ চাষ, বাগান করা কিংবা রাস্তা ধোয়ার কাজে ব্যবহার করার কথা ভাবা হচ্ছে। নতুন এই কাজের ফলে গঙ্গা আরও দূষণমুক্ত থাকবে।






