advertisement

Dol Utsav: কাঁটাতারের বাধা তুচ্ছ! দোল উৎসবে দুই বাংলার মিলনক্ষেত্র কাটোয়া, পর পর ছবিতে দেখুন আনন্দমুখর সব মুহূর্ত

Last Updated:
East Bardhaman Dol Utsav: ভক্তির টানে কাঁটাতার পার! কাটোয়ার বিকিহাটে বিশ্বশুক মিলন মঠের উৎসবে যোগ দিতে ওপার বাংলা থেকে এলেন ভক্তরা। দোল উৎসবের রঙে মেতেছে দুই দেশের মানুষ, যা এক বিরল নজির।
1/5
দোল উৎসবকে ঘিরে কাটোয়ার বিকিহাটের বিশ্বশুক মিলন মঠ এবার দুই বাংলার ভক্তদের মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেমন বহু পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন, তেমনই সুদূর বাংলাদেশ থেকেও কয়েকজন ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। যদিও ভিসা সমস্যার কারণে অনেকেই এবার আসতে পারেননি। তবুও উৎসবের আবহে মিলন ও আনন্দের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
দোল উৎসবকে ঘিরে কাটোয়ার বিকিহাটের বিশ্বশুক মিলন মঠ এবার দুই বাংলার ভক্তদের মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেমন বহু পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন, তেমনই সুদূর বাংলাদেশ থেকেও কয়েকজন ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। যদিও ভিসা সমস্যার কারণে অনেকেই এবার আসতে পারেননি। তবুও উৎসবের আবহে মিলন ও আনন্দের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে আবির খেলা-সহ নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মেতে উঠেছেন ভক্তরা। বাংলাদেশ থেকে আগত হীরালাল বাড়ুই ও সুধীর রায় জানান, তাঁরা প্রতিবছরই এখানে দোল উৎসব পালন করতে আসেন। কাটোয়ায় এসে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারা তাঁদের কাছে বিশেষ অনুভূতি।
সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে আবির খেলা-সহ নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মেতে উঠেছেন ভক্তরা। বাংলাদেশ থেকে আগত হীরালাল বাড়ুই ও সুধীর রায় জানান, তাঁরা প্রতিবছরই এখানে দোল উৎসব পালন করতে আসেন। কাটোয়ায় এসে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারা তাঁদের কাছে বিশেষ অনুভূতি।
advertisement
3/5
আশ্রম সূত্রে জানা যায়, ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার সময়ে গোপালগঞ্জ থেকে আগত বৈষ্ণব সাধক শুকদেব ব্রহ্মচারী বিকিহাটে এই মঠ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামানুসারেই মঠের নামকরণ হয়। ধর্মীয় সাধনার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দ্রুতই মানুষের আস্থা ও ভালবাসা অর্জন করেন। ধীরে ধীরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেও এই আশ্রম এক মিলনস্থল হয়ে ওঠে।
আশ্রম সূত্রে জানা যায়, ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার সময়ে গোপালগঞ্জ থেকে আগত বৈষ্ণব সাধক শুকদেব ব্রহ্মচারী বিকিহাটে এই মঠ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামানুসারেই মঠের নামকরণ হয়। ধর্মীয় সাধনার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দ্রুতই মানুষের আস্থা ও ভালবাসা অর্জন করেন। ধীরে ধীরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেও এই আশ্রম এক মিলনস্থল হয়ে ওঠে।
advertisement
4/5
বর্তমান মহারাজ শুকানন্দ মহারাজ জানান, প্রতি বছর দোল উৎসবে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। চারদিন ধরে কৃষ্ণনাম সংকীর্তন, পালাকীর্তন, পুজো-অর্চনা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দোল পূর্ণিমার দিন ভক্তসংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।
বর্তমান মহারাজ শুকানন্দ মহারাজ জানান, প্রতি বছর দোল উৎসবে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। চারদিন ধরে কৃষ্ণনাম সংকীর্তন, পালাকীর্তন, পুজো-অর্চনা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দোল পূর্ণিমার দিন ভক্তসংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।
advertisement
5/5
উৎসব উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণে পানীয় জল ও প্রাথমিক পরিকাঠামোর বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতে এই স্থানটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি পাবে। দোল উৎসবের এই আয়োজন দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকেই আরও দৃঢ় করেছে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
উৎসব উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণে পানীয় জল ও প্রাথমিক পরিকাঠামোর বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতে এই স্থানটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি পাবে। দোল উৎসবের এই আয়োজন দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকেই আরও দৃঢ় করেছে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
advertisement
advertisement