এই পরিসংখ্যান আসার পর নতুন বছরে আরও সতর্ক অবস্থান নিল জেলা প্রশাসন। মশার লার্ভা রোধে বিভিন্ন জায়গায় গাপ্পি ও তেচোখা মাছ ছাড়ার পরিকল্পনা ও মশার লার্ভা ধ্বংস করতে পেস্টিসাইড দেওয়া হচ্ছে। এই কাজে সহযোগিতা করবেন ভিবিডিসি কর্মীরা।
advertisement
২০২৪ সালে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের পরিসংখ্যান স্বস্তি দিয়েছিল সকলকে। কিন্তু ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান ভাবাচ্ছে অনেককেই। এই অবস্থায় নতুন বছর অর্থাৎ ২০২৬-এ যাতে মশাবাহিত এই দু’টি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তার জন্য বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য জেলার তরফে জানানো হয়েছে।
কেন বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা তার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে যে কারণ উঠে এসেছে তাতে জানা গিয়েছে, পরিযায়ী শ্রমিকেরা বাইরে থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আসছেন। বাড়ি ফিরে এই রোগ ছড়াচ্ছেন তারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাছাড়া বহু জায়গায় অপরিষ্কার নর্দমা, জমা জল পরিষ্কার না হওয়ার জন্যও মশা বংশবিস্তার করছে। সেজন্য চলতি বছরে গ্রাম ও শহরাঞ্চলকে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ থেকে যতটা সম্ভব মুক্ত রাখতে এখন থেকেই পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরে নিয়মিত সাফাই অভিযান, সচেতনতা বাড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি লাগাতার চলবে। মশার বংশ ধ্বংস করতে এই কাজ করা হবে।






