TRENDING:

Agriculture News: মোটা লাভের আশায় কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলেছেন চাষে, কিন্তু জলের অভাবে সব শেষ! ঋণমুক্তি কোন পথে, ভেবেই দিশেহারা কৃষকরা

Last Updated:

Agriculture News: খালে জল নেই ! কৃষিকাজে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা। দেনার টাকা না দিতে পারায় চরম সিদ্ধান্তের ভাবনা।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
দক্ষিণ ২৪ পরগনা,মগরাহাট, সুমন সাহা: মগরাহাট খালে সেচের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা। চলতি মরসুমে খাল শুকিয়ে যাওয়ায় কিংবা নামমাত্র জল থাকায় সেচ ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। তার জেরে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ। মাথায় হাত পড়েছে মগরাহাটের বহু কৃষক পরিবারের। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বোরো ধান ও অন্যান্য ফসলের চাষের জন্য এই সময়ে পর্যাপ্ত জল অত্যন্ত জরুরি।
advertisement

কিন্তু মগরাহাট খালে জল না থাকায় জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ক্ষেতেই ধান গাছ শুকিয়ে যেতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই চাষের জন্য বীজ, সার, কীটনাশক ও সেচ বাবদ বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। অথচ ফসল নষ্ট হয়ে গেলে সেই লগ্নি তোলার কোনও উপায় থাকছে না। কৃষকদের একাংশ জানান, ফসলের ক্ষতির কারণে ব্যাঙ্ক ও সমবায় সমিতি থেকে নেওয়া ঋণ কীভাবে শোধ করবেন, তা ভেবেই দিশেহারা হয়ে পড়ছেন তাঁরা। অনেক কৃষকই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি দ্রুত জল সমস্যার সমাধান না হয় এবং ফসল বাঁচানো না যায়, তাহলে ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে চরম সিদ্ধান্তের দিকে যেতে হতে পারে।

advertisement

আরও পড়ুন: নব্বইয়ের কোঠায় বয়স, কিন্তু কলমে যেন সেই তরুণের ধার! এই শিক্ষকের রুটিন জানলে চমকে যাবেন

এই বক্তব্যে এলাকায় তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে। স্থানীয় কৃষক সংগঠনগুলির দাবি, অবিলম্বে মগরাহাট খালে পর্যাপ্ত জল ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি বিকল্প সেচের ব্যবস্থা, গভীর নলকূপ কিংবা পাম্পের মাধ্যমে জল সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও তারা তুলেছেন। কৃষকদের আরও দাবি, ফসল নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ ও ঋণ পুনর্গঠনের ব্যবস্থা না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। এদিকে এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, বিষয়টি সেচ দফতর ও জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
আবর্জনাই আয়ের খনি, ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকেই ভাগ্য বদল! মহিলাদের জন্য সুপারহিট ফর্মুলা
আরও দেখুন

দ্রুত খালে জল আনার চেষ্টা চলছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনও সমস্যায় পড়লে তাঁরা যেন সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মগরাহাটের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ওপর এই জল সংকট বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত সমাধান না হলে কৃষক আন্দোলন আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে কৃষকদের এই সংকট থেকে রক্ষা করতে পারে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Agriculture News: মোটা লাভের আশায় কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলেছেন চাষে, কিন্তু জলের অভাবে সব শেষ! ঋণমুক্তি কোন পথে, ভেবেই দিশেহারা কৃষকরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল