কিন্তু মগরাহাট খালে জল না থাকায় জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ক্ষেতেই ধান গাছ শুকিয়ে যেতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই চাষের জন্য বীজ, সার, কীটনাশক ও সেচ বাবদ বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। অথচ ফসল নষ্ট হয়ে গেলে সেই লগ্নি তোলার কোনও উপায় থাকছে না। কৃষকদের একাংশ জানান, ফসলের ক্ষতির কারণে ব্যাঙ্ক ও সমবায় সমিতি থেকে নেওয়া ঋণ কীভাবে শোধ করবেন, তা ভেবেই দিশেহারা হয়ে পড়ছেন তাঁরা। অনেক কৃষকই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি দ্রুত জল সমস্যার সমাধান না হয় এবং ফসল বাঁচানো না যায়, তাহলে ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে চরম সিদ্ধান্তের দিকে যেতে হতে পারে।
advertisement
আরও পড়ুন: নব্বইয়ের কোঠায় বয়স, কিন্তু কলমে যেন সেই তরুণের ধার! এই শিক্ষকের রুটিন জানলে চমকে যাবেন
এই বক্তব্যে এলাকায় তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে। স্থানীয় কৃষক সংগঠনগুলির দাবি, অবিলম্বে মগরাহাট খালে পর্যাপ্ত জল ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি বিকল্প সেচের ব্যবস্থা, গভীর নলকূপ কিংবা পাম্পের মাধ্যমে জল সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও তারা তুলেছেন। কৃষকদের আরও দাবি, ফসল নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ ও ঋণ পুনর্গঠনের ব্যবস্থা না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। এদিকে এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, বিষয়টি সেচ দফতর ও জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দ্রুত খালে জল আনার চেষ্টা চলছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনও সমস্যায় পড়লে তাঁরা যেন সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মগরাহাটের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ওপর এই জল সংকট বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত সমাধান না হলে কৃষক আন্দোলন আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে কৃষকদের এই সংকট থেকে রক্ষা করতে পারে।





