ডালজাতীয় শস্যের মূলে থাকে রাইবোজিয়াম। এই রাইবোজিয়াম হল একধরণের ব্যাকটেরিয়া। এরা মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে এই শস্য চাষ করলে লাভ হবে মাটির। প্রয়োজনে রাইবোজিয়াম কিনে এনেও জমিতে দেওয়া যেতে পারে।
advertisement
অপরদিকে কৃষি সম্মলনে অনেক কৃষক জানিয়েছেন, ডাল জাতীয় ফসল লাগিয়েও সেভাবে লাভবান হচ্ছেন না। এই ডালশস্য রোপণ করার পর সেভাবে গাছ জন্মাচ্ছে না। ফলনও ভাল হচ্ছে না। যার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করে কৃষি আধিকারিকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ডালশস্যের বিভিন্ন রোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে এই শস্যে গোড়া পচা, পাতা ঝলসানো, মোজাইক ছাড়াও আরও একাধিক রোগ দেখা যায়। এছাড়াও দেখা গিয়েছে সঠিক সময়ে এবং সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ না করলে ফলন কম হয়।
এ নিয়ে কৃষি দফতরের পক্ষ থেকে এএইও রাজু রায় জানিয়েছেন, সাধারণত ডাল জাতীয় শস্যের ক্ষেত্রে নাইট্রোজেন সার কম লাগে, কিন্তু যে একেবারে লাগে না তা নয়। ফলে ঘাটতি মেটানোর জন্য জীবাণু সার ব্যবহার করলে উদ্ভিদ নিজে থেকেই নাইট্রোজেন জমিতে তৈরি করতে পারে। তখন এই সমস্যা আর হবে না।





