শনিবার আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র গৌতম দেব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। তাঁদের উপস্থিতিতে প্রদর্শনীর মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শহরের বহু শিল্পী, ফটোগ্রাফার ও প্রকৃতিপ্রেমীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
advertisement
প্রদর্শনীতে বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অসংখ্য বন্যপ্রাণ ও প্রকৃতির ছবি দর্শকদের আকৃষ্ট করে। পাহাড়, জঙ্গল, নদী এবং বিভিন্ন প্রাণীর দুর্লভ মুহূর্ত ধরা পড়েছে এসব ছবিতে। প্রতিটি ছবির মধ্যেই ছিল প্রকৃতিকে রক্ষা করার এক নীরব বার্তা, যা দর্শকদের ভাবিয়ে তোলে।
সংগঠনের সম্পাদক দিব্যজ্যোতি চক্রবর্তী জানান, “এটা আমাদের পঞ্চম বর্ষ। শুরুতে যখন আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছিলাম তখন মানুষের মধ্যে এতটা আগ্রহ ছিল না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এবছর গোটা পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ১৭০টি ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১১০টি ছবি নির্বাচিত হয়েছে প্রদর্শনীর জন্য। নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতির প্রতি আরও সচেতন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। সবুজ বাঁচাতে বেশি করে গাছ লাগানো এবং সেই গাছের যত্ন নিয়ে বড় করে তোলার আহ্বানও জানানো হয়। ফটোগ্রাফির মাধ্যমে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ বাড়ানোর বার্তাই ছিল এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
দুই দিনের এই প্রদর্শনী শুধু ছবি দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ রক্ষার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যকে ক্যামেরায় ধরে রেখে তাকে রক্ষা করার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও মানুষের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়াবে বলেই আশাবাদী আয়োজকরা।




