শীতের শেষ, বসন্তের শুরুতে হয় দেবী সরস্বতীর আরাধনা। এটি শাস্ত্র মতে চলে আসছে অনন্তকাল ধরে। এই সময় থাকে, পলাশ, আমের মুকুলের সমারোহ। বাগদেবী আরাধনায় পলাশ ফুল অপরিহার্য। কিন্তু এবার ফুল কতটা মিলবে তা নিয়ে ক্রমশ সংশয় বাড়ছে। কারণ, শহর-গ্রামের বেশিরভাগ গাছে এখনও তেমনভাবে ফুলের দেখা মেলেনি। তাই হয়তো বাগদেবী আরাধনায় কলি অর্পণ করতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: মালদহের সমবায় ব্যাঙ্কে তালা! কোটি কোটি নিয়ে গায়েব কর্তৃপক্ষ, মাথায় হাত গ্রাহকদের
দেবীর আরেকনাম পলাশপ্রিয়া। এই নামের সঙ্গে রয়েছে শাস্ত্রের নিবিড় যোগ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী মাঘ মাসের পঞ্চমী তিথি থেকে শীতের আড়ষ্ঠতা ভেঙে জীবন চঞ্চল হয়ে ওঠে। লাগে বসন্তের ছোঁয়া। পলাশ, শিমুলের রাঙা হয়ে ওঠে প্রকৃতি। হৃদয়ে জাগে প্রেম। সেই দিক থেকে বসন্ত পঞ্চমী বাঙালির প্রেম নিবেদনের দিবস অর্থাৎ ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ হিসেবেও সমাদৃত। কিন্তু এবার যে নিজেরাই আরষ্ঠ পলাশ, শিমুল। পর্ণমোচী পলাশের শাখে থোকা থোকা কালো রংয়ের কুঁড়ি এলেও লালচে কমলা আগুনের আভা মিলছে না। তবুও পলাশ প্রয়োজন পুজোয়। তাই কুঁড়ি নিবেদন করেই পুজো হবে দেবীর। পলাশের কুঁড়ি নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। আলিপুরদুয়ার জেলার রাজাভাতখাওয়া, ফালাকাটা, কালচিনির কিছু জায়গাতে দেখা মেলে পলাশ গাছের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বসন্ত প্রকৃতিতে ধরা দিলে গাছগুলি মেলে ধরে তাদের সৌন্দর্য। পলাশের রঙে রঙিন হয়ে থাকা গাছের ধারে কাছে ঘুরতে দেখা যায় অনেক যুগলকে।ফুল ব্যবসায়ী রূপক ঘোষ জানান, “আসলে পুজো এবারে আগে। শীত এখনও যায়নি।তার কারণে পলাশ ফোটেনি। তবুও পলাশ নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে আমাদের পক্ষ থেকে।” পলাশ না মিললেও গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, সাদা ফুলের জোগান রেখেছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। মন্ডপ সাজানোর জন্য গোলাপ ফুল রেখেছেন তারা। যদিও ফুলের দাম অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি। গাঁদা ফুলের মালা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এক একটি গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়।





